Bartaman Logo
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিউল অ্যাকাউন্ট চক্রে মহারাষ্ট্রের মূল চক্রী-সহ ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৫

ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার বড় সাফল্য। আন্তঃরাজ্য সাইবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ঝাড়গ্রামের চারজনের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরের এক ব্যক্তিও রয়েছেন।

মিউল অ্যাকাউন্ট চক্রে মহারাষ্ট্রের মূল চক্রী-সহ ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৫
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার বড় সাফল্য। আন্তঃরাজ্য সাইবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ঝাড়গ্রামের চারজনের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরের এক ব্যক্তিও রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মিউল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সারা দেশে সাইবার প্রতারণার টাকা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই চক্র।

Advertisement

বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে পঙ্কজ মাহাতা, প্রবীর মাহাতা, পাপুন মাহাতা, সন্তু মাহাতা এবং সাহিল মিশ্রম নামক ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত পঙ্কজ মাহাতার বাড়ি ঝাড়গ্রামের জামবনি থানার গাদরো এলাকায়। প্রবীর মাহাতা ও পাপুন মাহাতা বিনপুর থানার দহিজুড়ি এলাকার বাসিন্দা। সন্তু মাহাতার বাড়িও দহিজুড়ি এলাকার বাঘুয়াশোলে। অন্যদিকে সাহিল মিশ্রম মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলার সুমথানা এলাকার বাসিন্দা। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে অথবা অন্যের অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে সেগুলিকে মিউল অ্যাকাউন্ট হিসেবে ব্যবহার করত। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লোন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে, লটারি, কেওয়াইসি আপডেট কিংবা চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা এই অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা করা হত। পরে দ্রুত সেই টাকা তুলে নিয়ে অন্যত্র পাচার করা হতো বলে অভিযোগ। এই চক্রের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সাইবার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঝাড়গ্রাম সাইবার ক্রাইম থানায় দায়ের হওয়া একটি নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যক্তির নামে থাকা এটিএম কার্ড, পাসবই এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নথি ও ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত সামগ্রী খতিয়ে দেখে এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে এবং প্রতারণার টাকা কোন পথে লেনদেন করা হতো, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। আন্তঃরাজ্য এই সাইবার প্রতারণা চক্রের নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ