Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁথিতে পূর্তদপ্তরের জায়গা জবরদখল, উত্তেজনা

কাঁথিতে পূর্তদপ্তরের জায়গা জবরদখল, উত্তেজনা
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সোমবার কাঁথি পুরসভার কিশোরনগরে পূর্ত দপ্তরের জায়গা বেদখল করে দোকান বসানো ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। এগরা বাইপাস লাগোয়া রাজ্য সড়কের ধারে জায়গা ঘিরে দোকান বসানোর খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন স্থানীয় কাউন্সিলার নিত্যানন্দ মাইতি। জবরদখলে বাধা দেওয়ায় তিনি হুমকির মুখে পড়েন। কয়েকজন দাবি করেন, পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরির অনুমতি নিয়ে ওই জায়গায় দোকান হচ্ছে। খবর পেয়ে কাঁথি থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জবরদখল আটকাতে ঘটনাস্থলে চেয়ার পেতে বসে পড়েন তৃণমূল কাউন্সিলার। তারপরেও রাস্তার ধারে খুঁটি পুঁতে ত্রিপল খাটিয়ে এদিন দোকান খোলেন শশানিয়া গ্রামের এক মহিলা।সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কাঁথি-১ ব্লকের শশানিয়া গ্রামের এক মহিলাকে নিয়ে কয়েকজন কিশোরনগরে হাজির হয়। কাঁথি থেকে এগরা যাওয়ার রাজ্য সড়কের ধারে কিশোরনগরে রাস্তার ধারে বাঁশের খুঁটি পুঁতে ত্রিপল টাঙানোর খবর পেয়ে হাজির হন কাউন্সিলার নিত্যানন্দবাবু। তিনি তাঁদের সরে যেতে বলেন। তা সত্ত্বেও শশানিয়া গ্রামের কয়েকজন জোর করে জায়গা ঘিরে নেয় বলে অভিযোগ। তাঁদের নির্দেশে আরও কয়েকজন খুঁটি পুঁতে ত্রিপল খাটানোর চেষ্টা করেন। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় কাঁথি থানার পুলিস। কিন্তু পুলিস আসার আগেই জায়গা ঘিরে ত্রিপল টাঙানোর কাজ সেরে ফেলা হয়। 
Advertisement
এই অবস্থায় দোকানের সামনে চেয়ার পেতে বসে পড়েন কাউন্সিলার। তাঁর দাবি, আর জবরদখল করতে দেওয়া হবে না। দলের একটা অংশের মদতে এই কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ। তাই তিনি গোটা বিষয়টি নিয়ে দলের জেলা সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডার কাছে নালিশ করেন। কাঁথি গ্রামীণ এলাকার অনেকেই শহরের রাস্তার দু’ধার দখল করে দোকানপাট বানিয়ে ফেলেছেন। সেই ধারা আজও চলছে। এদিন এরকম একটি কাজে বাধা দিতে গিয়ে প্রবল ঝামেলার মুখে পড়েন পুরসভার ১৯নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কাউন্সিলার।রাইপুর পশ্চিমবাড় পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ রেজাউলউদ্দিন বলেন, উনি দুঃস্থ মহিলা। স্বামী শেখ সিরাজ আগে সাইকেল সারাতেন। তিনি মারা যাওয়ার পর চার মেয়ে নিয়ে অথৈ জলে পড়েছেন। দোকান থাকলে নিশ্চিন্তে দিনযাপন করতে পারবেন। সেজন্য তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছি। পুরসভার কাউন্সিলার নিত্যানন্দবাবু বলেন, কিশোরনগরে ওই জায়গায় কমিউনিটি টয়লেট হওয়ার কথা। সেজন্য জায়গা চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। সোমবার সেই জায়গা জবরদখল হয়। আমি বাধা দিলেও তা ধোপে টেকেনি। বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি বলেন, জবরদখলের বিষয়ে আমি কাউকে অনুমতি দিইনি। এটা আমার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এবিষয়ে আমার কাছে কেউ অভিযোগও করেনি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ