সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথি শহরের দারুয়ার মনোহরচক এলাকায় ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষে বচসার জেরে এক যুবককে খুন করা হল। মৃতের নাম আজগর মল্লিক(২৫)। বাড়ি শহরের ৭নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর দারুয়ায়। তাঁকে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্ত যুবক সৌরভ দাস ওরফে পাশাকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। সে ৫নম্বর ওয়ার্ডের মনোহরচকের বাসিন্দা। সোমবার তাকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার জেরে উত্তেজনা থাকায় ঘটনাস্থলে পুলিস ও র্যাফ মোতায়েন রয়েছে। ওই ঘটনায় ক্লাবের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন মৃতের বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিস ক্লাবঘরটি সিল করে দিয়েছে। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্লাবের সম্পাদককেও আটক করা হয়েছে। যদিও ক্লাবের তরফে দাবি করা হয়েছে, নিহত এবং ধৃত যুবক কেউই তাদের সদস্য নয়। ক্লাব ক্যাম্পাসে মারামারি বা খুনের ঘটনা ঘটেনি।
Advertisement
কাঁথির এসডিপিও দিবাকর দাস বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। নিছক উত্তেজনার বশে এই খুন নাকি এর পিছনে পূর্বের কোনও আক্রোশ রয়েছে, সেটা জানার চেষ্টা চলছে।
রবিবার গভীর রাতে মনোহরচকে কাঁথি-দারুয়া রাস্তার(গান্ধী রোড) পাশে অবস্থিত একটি ক্লাবের সামনে ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ১টার পর ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায়। তারপর সেখানে সাউন্ডবক্সের সামনে অনেকেই নাচানাচি করছিলেন। দুই বন্ধু আজগর ও সৌরভ আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। নাচানাচির সময় দু’জনে কোনও বিষয় নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় হাতাহাতি। সেই সময় পকেট থেকে ছুরি বের করে আমচকাই আজগরের গলায় কোপ মারে সৌরভ। লুটিয়ে পড়েন আজগর। লুকিয়ে যায় সৌরভ। রক্তাক্ত অবস্থাতেই বাবাকে ফোন করেন আজগর। বাড়ির লোকজন এবং স্থানীয়রা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর আসতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে এসডিপিও ও কাঁথি থানার আইসি প্রদীপকুমার দাঁ’র নেতৃত্বে এলাকায় পুলিস বাহিনী আসে। অভিযুক্ত যুবককে ওই ক্লাবঘর থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটিও বাজেয়াপ্ত হয়। মৃতের বাবা মুস্তাক মল্লিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সোমবার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ক্লাবের সামনে চাপ চাপ রক্ত পড়ে রয়েছে। জায়গাটি ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ভিড় জমিয়েছেন। ঘটনার জেরে দিনভর দোকানপাট বন্ধ ছিল। মৃতের কাকা ইউনুস মল্লিক, প্রতিবেশী শেখ রবিউল অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় ক্লাবের সদস্যদের কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। আজগর জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে দেখেও কেউ হাসপাতালে নিয়ে যাননি। এমনকী ক্লাবঘরেই অভিযুক্তকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। এখানে নিয়মিত মদ-গাঁজার আসর বসে। ক্লাবের যারা যুক্ত, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এদিন এলাকায় যান ৫নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দেবাশিস পাহাড়ী ও ৭নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অতনু গিরি। তাঁরা বলেন, পুলিসকে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দা তথা আইনজীবী মঞ্জুর রহমান খান বলেন, এলাকায় মদ-গাঁজার উৎপাত ক্রমশ বাড়ছে। পুলিস ব্যবস্থা না নিলে ফের এরকম ঘটনা ঘটতে পারে।
রবিবার গভীর রাতে মনোহরচকে কাঁথি-দারুয়া রাস্তার(গান্ধী রোড) পাশে অবস্থিত একটি ক্লাবের সামনে ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ১টার পর ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায়। তারপর সেখানে সাউন্ডবক্সের সামনে অনেকেই নাচানাচি করছিলেন। দুই বন্ধু আজগর ও সৌরভ আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। নাচানাচির সময় দু’জনে কোনও বিষয় নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় হাতাহাতি। সেই সময় পকেট থেকে ছুরি বের করে আমচকাই আজগরের গলায় কোপ মারে সৌরভ। লুটিয়ে পড়েন আজগর। লুকিয়ে যায় সৌরভ। রক্তাক্ত অবস্থাতেই বাবাকে ফোন করেন আজগর। বাড়ির লোকজন এবং স্থানীয়রা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর আসতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে এসডিপিও ও কাঁথি থানার আইসি প্রদীপকুমার দাঁ’র নেতৃত্বে এলাকায় পুলিস বাহিনী আসে। অভিযুক্ত যুবককে ওই ক্লাবঘর থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটিও বাজেয়াপ্ত হয়। মৃতের বাবা মুস্তাক মল্লিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সোমবার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ক্লাবের সামনে চাপ চাপ রক্ত পড়ে রয়েছে। জায়গাটি ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ভিড় জমিয়েছেন। ঘটনার জেরে দিনভর দোকানপাট বন্ধ ছিল। মৃতের কাকা ইউনুস মল্লিক, প্রতিবেশী শেখ রবিউল অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় ক্লাবের সদস্যদের কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। আজগর জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে দেখেও কেউ হাসপাতালে নিয়ে যাননি। এমনকী ক্লাবঘরেই অভিযুক্তকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। এখানে নিয়মিত মদ-গাঁজার আসর বসে। ক্লাবের যারা যুক্ত, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এদিন এলাকায় যান ৫নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দেবাশিস পাহাড়ী ও ৭নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অতনু গিরি। তাঁরা বলেন, পুলিসকে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছি। স্থানীয় বাসিন্দা তথা আইনজীবী মঞ্জুর রহমান খান বলেন, এলাকায় মদ-গাঁজার উৎপাত ক্রমশ বাড়ছে। পুলিস ব্যবস্থা না নিলে ফের এরকম ঘটনা ঘটতে পারে।



