সংবাদদাতা, কাঁথি: শনিবার সন্ধ্যায় এগরা থানার গৌরপাহাড়ি এলাকায় কাঁথি-বেলদা রাজ্য সড়কে দু’টি পৃথক দুর্ঘটনায় এক যুবক ও এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় এক বাইক আরোহীও জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, মৃতরা হলেন জয়কেতু বর(৩২) ও কানাইলাল বর(৬২)। মৃতদের বাড়ি স্থানীয় উত্তর তাজপুর এলাকায়। এদিকে জখম ব্যক্তি এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি কাঁথি থানার সাতমাইল এলাকার বাসিন্দা। দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তর তাজপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ কানাইবাবু গৌরপাহাড়িতে রাস্তার ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেইসময় কাঁথিগামী একটি দ্রুতগতির বোলেরো গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিস আসে। পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মৃতদেহটি উদ্ধার করার তোড়জোড় শুরু করে।
এদিকে এলাকার বাসিন্দার মৃত্যুর খবর পেয়ে বেশকিছুক্ষণ পরে জয়কেতু সাইকেলে দুর্ঘটনাস্থলের দিকে আসছিলেন। তখন মেদিনীপুরগামী দীঘা-মেদিনীপুর রুটের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর সাইকেলে এবং পিছনে আসা অন্য একটি বাইককে ধাক্কা মারে। একশো মিটারের মধ্যেই প্রথম দুর্ঘটনার পর দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। জয়কেতু সাইকেল সহ ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যদিকে ওই বাইক চালকও ছিটকে পড়েন। ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যায়। জখম বাইক চালককে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা জোড়া দুর্ঘটনার প্রতিবাদে ও যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আধ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ চলে। পুলিস উত্তেজিত জনতাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অবরোধ তোলে। পরে পুলিস ঘাতক বাসটিকে আটক করে। কিন্তু চালক পালিয়ে যায়। পুলিস দেহ দু’টি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আইসি অরুণকুমার খান বলেন, জোড়া মৃত্যুর ঘটনার পর ওই অংশে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। গার্ডরেল, স্পিড ব্রেকার প্রভৃতি বসিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। যানবাহনের চালক থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
এদিকে এলাকার বাসিন্দার মৃত্যুর খবর পেয়ে বেশকিছুক্ষণ পরে জয়কেতু সাইকেলে দুর্ঘটনাস্থলের দিকে আসছিলেন। তখন মেদিনীপুরগামী দীঘা-মেদিনীপুর রুটের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর সাইকেলে এবং পিছনে আসা অন্য একটি বাইককে ধাক্কা মারে। একশো মিটারের মধ্যেই প্রথম দুর্ঘটনার পর দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। জয়কেতু সাইকেল সহ ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যদিকে ওই বাইক চালকও ছিটকে পড়েন। ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যায়। জখম বাইক চালককে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা জোড়া দুর্ঘটনার প্রতিবাদে ও যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আধ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ চলে। পুলিস উত্তেজিত জনতাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অবরোধ তোলে। পরে পুলিস ঘাতক বাসটিকে আটক করে। কিন্তু চালক পালিয়ে যায়। পুলিস দেহ দু’টি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আইসি অরুণকুমার খান বলেন, জোড়া মৃত্যুর ঘটনার পর ওই অংশে ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। গার্ডরেল, স্পিড ব্রেকার প্রভৃতি বসিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। যানবাহনের চালক থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।



