নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঁথি: বোর্ডের মেয়াদ ফুরানোর তিন বছর বাদে বৃহস্পতিবার কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নতুন বোর্ড গঠিত হল। ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন এগরার বিধায়ক তরুণকুমার মাইতি। ভাইস চেয়ারম্যান হলেন জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তরুণ জানা। প্যানেল চেয়ারম্যান হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক অমিয়কান্তি ভট্টাচার্য, দিব্যেন্দু রায় ও কাঁথি পুরসভার কাউন্সিলার আলেম আলি খান। ২০২২সালে ৪ফেব্রুয়ারি কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়। তারপর মনোনীত বোর্ড এবং স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করে ব্যাঙ্কের কাজকর্ম পরিচালনা হতো। গত তিন বছর নির্বাচিত বোর্ড না থাকার সময়কালে ব্যাঙ্ক নানাভাবে সাফল্য অর্জন করেছে। দু’টি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। নতুন বোর্ডের কাছে ব্যাঙ্কের এই সাফল্যের ধারা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন বোর্ড এই চ্যালেঞ্জ কতটা মোকাবিলা করতে পারবে সেটা সময়ই বলবে।
Advertisement
নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এদিন কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে নতুন বোর্ড গঠিত হল। ভোটার তালিকায় মৃত সদস্যদের নাম থাকার অভিযোগ ওঠায় সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারিত দিনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে দিয়েছিল। তালিকা সংশোধন করার পর পুনরায় সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৫ডিসেম্বর ডেলিগেট নির্বাচন হয়। আধাসেনা দিয়ে পাঁচটি কেন্দ্রে ভোট হয়েছিল। দেশের কোথাও আধা সেনা নিয়োগ করে সমবায় ভোটের নজির নেই। ডেলিগেট নির্বাচনের পর আসল চমক শুরু হয়। ১৫টি ডিরেক্টর পদে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী থেকে পৃথক প্যানেল জমা পড়ায় ভোটাভুটির পরিস্থিতি তৈরি হয়। হস্তক্ষেপ করতে হয় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বাধ্য হয়ে ১২জন গোঁজ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
গত ৯ফেব্রুয়ারি কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদ নিয়ে ডিরেক্টরদের নিয়ে মিটিং হয়। সেখানে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পাঠানোর মুখবন্ধ খাম খুলে প্রত্যেককে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নাম জানিয়ে দেওয়া হয়। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড গঠন হয়। বোর্ড গঠনের পর ব্যাঙ্কের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার অ্যাপোলো আলি বলেন, কো-অপারেটিভের মধ্যে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো থাকে। এখানে তিন বছর নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় অনেক সমস্যা হয়েছে। নতুন মেম্বার নথিভুক্ত করা যায়নি। পাঁচ লক্ষ টাকা কিংবা তার বেশি গোল্ড লোন মঞ্জুর করা যায়নি। এই অবস্থায় অনেক গ্রাহক ব্যাঙ্ক ছেড়ে দিয়েছেন। আজকের দিনে প্রতিযোগিতার বাজারে সকলে গ্রাহক টানতে ব্যস্ত। সেই জায়গায় আমরা বোর্ডের অভাবে গ্রাহক হারিয়েছি। এদিন বোর্ড গঠন হওয়ায় এই অসুবিধা দূর হল। কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক একটি গ্রেড-৩ ব্যাঙ্ক। সরাসরি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে নজরদারি থাকে। তাই এখানে অনিয়ম হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
ব্যাঙ্কের নতুন চেয়ারম্যান তরুণকুমার মাইতি বলেন, ২০২২সালে ৩১ মার্চ নির্বাচিত বোর্ড চলে যাওয়ার অর্থবর্ষ শেষে ব্যাঙ্কে ডিপোজিট ছিল ১৩১১কোটি টাকা। এই মুহূর্তে সেটা বেড়ে হয়েছে ১৩৩২কোটি টাকা। একইভাবে ক্রেডিট অ্যান্ড ফিনান্স ভ্যালু ৭৯১কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮৮৮কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের সবচেয়ে নেগেটিভ দিক হল, এনপিএ(নন পারফর্মিং অ্যাসেট)। ২০২২সালে সেটা ছিল ৬.১২শতাংশ। এখন সেটা কমে ৪.৫২শতাংশে নেমে এসেছে। কাঁথিবাসীর আবেগের এই ব্যাঙ্ক যাতে আগামী দিনে আরও ভালো জায়গায় পৌঁছতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব। পরিচ্ছন্নতা ও ডিজিটাইজেশনে জোর দেওয়া হবে। এই ব্যাঙ্ক যাতে আগামী দিনে গ্রেড-৪এ পৌঁছতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
গত ৯ফেব্রুয়ারি কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদ নিয়ে ডিরেক্টরদের নিয়ে মিটিং হয়। সেখানে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পাঠানোর মুখবন্ধ খাম খুলে প্রত্যেককে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নাম জানিয়ে দেওয়া হয়। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড গঠন হয়। বোর্ড গঠনের পর ব্যাঙ্কের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার অ্যাপোলো আলি বলেন, কো-অপারেটিভের মধ্যে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো থাকে। এখানে তিন বছর নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় অনেক সমস্যা হয়েছে। নতুন মেম্বার নথিভুক্ত করা যায়নি। পাঁচ লক্ষ টাকা কিংবা তার বেশি গোল্ড লোন মঞ্জুর করা যায়নি। এই অবস্থায় অনেক গ্রাহক ব্যাঙ্ক ছেড়ে দিয়েছেন। আজকের দিনে প্রতিযোগিতার বাজারে সকলে গ্রাহক টানতে ব্যস্ত। সেই জায়গায় আমরা বোর্ডের অভাবে গ্রাহক হারিয়েছি। এদিন বোর্ড গঠন হওয়ায় এই অসুবিধা দূর হল। কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক একটি গ্রেড-৩ ব্যাঙ্ক। সরাসরি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে নজরদারি থাকে। তাই এখানে অনিয়ম হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
ব্যাঙ্কের নতুন চেয়ারম্যান তরুণকুমার মাইতি বলেন, ২০২২সালে ৩১ মার্চ নির্বাচিত বোর্ড চলে যাওয়ার অর্থবর্ষ শেষে ব্যাঙ্কে ডিপোজিট ছিল ১৩১১কোটি টাকা। এই মুহূর্তে সেটা বেড়ে হয়েছে ১৩৩২কোটি টাকা। একইভাবে ক্রেডিট অ্যান্ড ফিনান্স ভ্যালু ৭৯১কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮৮৮কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের সবচেয়ে নেগেটিভ দিক হল, এনপিএ(নন পারফর্মিং অ্যাসেট)। ২০২২সালে সেটা ছিল ৬.১২শতাংশ। এখন সেটা কমে ৪.৫২শতাংশে নেমে এসেছে। কাঁথিবাসীর আবেগের এই ব্যাঙ্ক যাতে আগামী দিনে আরও ভালো জায়গায় পৌঁছতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব। পরিচ্ছন্নতা ও ডিজিটাইজেশনে জোর দেওয়া হবে। এই ব্যাঙ্ক যাতে আগামী দিনে গ্রেড-৪এ পৌঁছতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।



