Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেতুগ্রামের অম্বলগ্রামে ভেঙে গিয়েছে কাঁদরের উপরের বাঁশের সাঁকো, ক্ষোভ 

কেতুগ্রামের অম্বলগ্রামে ভেঙে গিয়েছে কাঁদরের উপরের বাঁশের সাঁকো, ক্ষোভ 
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাটোয়া: গত বর্ষাতে কেতুগ্রামের অম্বলগ্রামে কাঁদরের উপর বাঁশের  সাঁকো ভেঙে গিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু গ্রাম। দীর্ঘদিন ধরেই ওই বাঁশ-কাঠ দিয়ে বানানো সাঁকো দিয়েই চলত ঝুঁকির পারাপার। একবার পারাপার করতে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটছিল। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় কয়েক মাস ধরে আশেপাশের সাতটি গ্রামের বাসিন্দাদের ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। তাঁদের দাবি, সাঁকোটি কংক্রিটের করা হোক। প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। 
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম-২ ব্লকের অম্বলগ্রাম মৌজায় বড় কাঁদরের উপরে ওই বাঁশ ও কাঠের সাঁকোটি ছিল। প্রায় ২০ বছর আগে গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে ওই সাঁকো তৈরি করেছিলেন। একদিকে অম্বলগ্রাম ও অন্যপ্রান্তে গোমাই গ্রামের মাঝে ওই সাঁকো ছিল। বাসিন্দারা বলেন, অম্বলগ্রাম, শিবলুন, তরালি সেনপাড়া, বড় পুরুলিয়া, ছোটো পুরুলিয়া গ্রামগুলির বাসিন্দারা ওই সাঁকো দিয়েই যাতায়াত করতেন। যা পার হয়ে কেতুগ্রাম থানা, বিডিও অফিস, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াত করা হতো। গত বর্ষায় সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় গ্রামের বাসিন্দাদের পাঁচুন্দির মোড় বা বন্দর ও গঙ্গাটিকুরি হয়ে প্রায় সাত থেকে আট কিমি ঘুরে যেতে হচ্ছে। সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করলে মাত্র তিন থেকে চার কিমি রাস্তার মধ্যেই থানা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বিডিও অফিস যাওয়া যায়। প্রতিদিন ওই সাঁকো পার হয়ে কয়েকশো মানুষ যাতায়াত করতেন। স্থানীয় বাসিন্দা রাজীব পাল, দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়, রাম ঘোষ বলেন, জলের তোড়ে ওই সাঁকো ভেঙে গিয়েছে। আগে স্থানীয় নবগ্রাম পঞ্চায়েত থেকে তৈরি করে দিয়েছিল। এখন সেখানে জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। আমরা জমির ফসল বাড়ি আনতে পারছি না। 
তাঁরা আরও বলেন, আগে ওই কাঠের নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটত। পাড়ায় সমাধান থেকে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরেও কোনও লাভ হয়নি। বাঁশের সাঁকো কংক্রিটের হয়নি। আমরা চাই দ্রুত প্রশাসন আমাদের দিকে নজর দিক। প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য তথা অম্বলগ্রামের বাসিন্দা বিকাশ মজুমদার বলেন, আমাদের ওই কাঠ-বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গিয়েছে। এখন ওটা কংক্রিটের করা প্রয়োজন। তাহলে আশেপাশের বহু গ্রামের মানুষের উপকার হয়। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি সাঁকোটি কংক্রিটের করার জন্য। গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, অম্বলগ্রাম, শিবলুন গ্রামের বাসিন্দাদের বিকল্প যাতায়াতের রাস্তা হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তেও আমরা জানিয়েছি। আশাকরি দ্রুত সমাধান হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ