Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাটোয়া-বর্ধমান রাস্তার ধারে জাজিগ্রামের কাছে শত শত মরা মুরগি ফেলা ঘিরে রহস্য

কাটোয়া-বর্ধমান রাস্তার ধারে জাজিগ্রামের কাছে শত শত মরা মুরগি ফেলা ঘিরে রহস্য
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া-বর্ধমান রাস্তার ধারে জাজিগ্রামের কাছে  শ’য়ে শ’য়ে পোল্ট্রি মুরগির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। কয়েকদিন ধরেই সেখানে মরা মুরগি ফেলা হচ্ছে। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে রাস্তায় চলাফেরা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। কারা সেখানে মরা মুরগি ফেলছে, এত মুরগি মারা যাচ্ছে কীভাবে, তা নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
Advertisement
এ বিষয়ে কাটোয়া-১ ব্লকের  প্রাণী সম্পদ আধিকারিক সুদর্শন দাস বলেন, মুরগির মৃত্যুর খবর আমাদের জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। মুরগি মারা গেলে তা নির্দিষ্ট জায়গায় পুঁতে দিতে হবে। আমরা শীঘ্রই  ফার্ম গুলিকে ডেকে সতর্ক করব। 
জানা গিয়েছে, কাটোয়া-১ ব্লকের গোয়াই পঞ্চায়েতের অধীনে জাজিগ্রাম থেকে গাঙ্গুলিডাঙা যাওয়ার রাস্তাতেই এমন ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন ধরে রাতের অন্ধকারে শত শত মরা মুরগি ফেলে যাচ্ছে। সেসব মুরগি পচে গিয়ে চরম দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কাটোয়া-বর্ধমান রাস্তার ধারেই মুরগিগুলি ফেলা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানান, আশপাশের চুড়পুনি, শ্রীখণ্ড, জাজিগ্রাম, গাঙ্গুলিডাঙা এলাকায় বেশ কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্ম রয়েছে। অনুমান, ফার্মে কোনও কারণে মুরগি মারা যাচ্ছে। সেই সব মরা মুরগি রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। 
গাঙ্গুলিডাঙা গ্রামের বাসিন্দা বদরুল রহমান, আব্দুল আলিম বলেন, আশপাশের ফার্মগুলিতে মুরগি মারা যাচ্ছে। সেসব মরা মুরগি রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হচ্ছে কয়েকদিন ধরেই। কুকুরে মৃত মুরগি নিয়ে টানাটানি করছে। এতে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। কেউ কোনও ব্যবস্থাও নিচ্ছে না। মুরগি মারা গেলে তা মাটিতে পুঁতে দেওয়া উচিত৷ এভাবে ফেলে গেলে হোটেল মালিকরাও মরা মুরগি এখান থেকে নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 
কোনও সংক্রামক রোগের কারণেই এভাবে মুরগির মৃত্যু হচ্ছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ জানান, এরকম হাজার হাজার মুরগি মরতে আগে দেখিনি। কেন হচ্ছে, সেটা জানিনা। আমরা গ্রামের মানুষও এই নিয়ে আতঙ্কে আছি। 
এর আগেও কাটোয়া-বর্ধমান রোডের ধারে মঙ্গলকোট ব্লকের কৈচর বাসস্ট্যান্ডের কাছে প্রচুর বস্তা বন্দি মরা মুরগি পরে থাকতে দেখা যায়। কারা ওই জায়গায় মুরগি ফেলে গিয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। সত্যি কোনও সংক্রামক রোগ হানা দিয়েছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন উঠে আসছে। পুরো ব্যাপারটা নিয়েই যথেষ্ট ধন্দে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ