নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কোস্টগার্ডের আইজি পরিচয় দিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন চন্দননগরের বিন্দুবাসিনী পাড়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তি। শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করে চন্দননগর আদালতে হাজির করে পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে নিউটাউনের একটি আবাসন থেকে পুলিস আটক করেছিল। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি, চন্দননগরেরই এক বাসিন্দা, সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ধৃত ব্যক্তির একটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। তাতে নীলবাতি এবং কোস্টগার্ডের স্টিকার দেওয়া ছিল।
Advertisement
তবে পুলিস কর্তারা ওই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। এক অফিসার বলেন, ধৃত ব্যক্তি নীলবাতির গাড়ি, কোস্টগার্ডের স্টিকারের পাশাপাশি নিরাপত্তারক্ষী নিয়েও ঘুরত। আচার আচরণ সবই ছিল অফিসারসুলভ। যদিও তার কাছে কোস্টগার্ডের পদস্থ কর্তা হওয়া দূর, চাকরি করার নথিও মেলেনি। কত মানুষ প্রতারিত হয়েছেন, প্রতারণার জাল কতটা দূর পর্যন্ত ছড়ানো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিসের অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ধৃতের নিরাপত্তা রক্ষীরাও ছিলেন বেসরকারি কর্মী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি প্রায়ই দেশের অন্যত্র, বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার দাবি করত। প্রায় একবছর আগে সুন্দরবনের দায়িত্ব পেয়েছেন বলে প্রচার করেছিল। সম্প্রতি এডিজি হয়ে দিল্লিতে পোস্টিং হয়েছে বলেছিল।
পাশাপাশি, বিরাট ক্ষমতাবান হওয়ায় সহজেই চাকরি করে দিতে পারে, এমন দাবি করত। সম্প্রতি চন্দননগররেই এক ব্যক্তি ওই ভুয়ো অফিসারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে যাবতীয় তথ্য পেয়ে তদন্তকারীরা কার্যত চমকে গিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রতিবেশী মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিন্দুবাসিনী পাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে ওই বাড়িতে রাজকীয় আয়োজন হতো। প্রচুর মানুষ নিমন্ত্রিত থাকতেন। গোটা বিষয়টাই লোকদেখানো কার্যত বোঝাই যায়নি কখনও। এদিন আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত ব্যক্তি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
পাশাপাশি, বিরাট ক্ষমতাবান হওয়ায় সহজেই চাকরি করে দিতে পারে, এমন দাবি করত। সম্প্রতি চন্দননগররেই এক ব্যক্তি ওই ভুয়ো অফিসারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে যাবতীয় তথ্য পেয়ে তদন্তকারীরা কার্যত চমকে গিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রতিবেশী মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিন্দুবাসিনী পাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে ওই বাড়িতে রাজকীয় আয়োজন হতো। প্রচুর মানুষ নিমন্ত্রিত থাকতেন। গোটা বিষয়টাই লোকদেখানো কার্যত বোঝাই যায়নি কখনও। এদিন আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত ব্যক্তি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



