নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: বিপুল পরিমাণ হেরোইন তৈরির কাঁচামাল সহ ভিনরাজ্যের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিস। ধৃতদের নাম তাহির খান, নাজিম খান ও অশোক। সুগন্ধীভর্তি লরিতে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড নামে ওই কাঁচামাল পাচার হচ্ছিল। প্রতিটি ড্রামে ৬০লিটার করে ওই কাঁচামাল ছিল। বাজেয়াপ্ত হওয়া কাঁচামালের পরিমাণ প্রায় ৪৮০লিটার। যার বাজারমূল্য প্রায় ২৫লক্ষ টাকা। ধৃতদের শুক্রবার কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হয়। পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের ১০দিনের হেফাজতে নিয়েছে। পুলিসের অনুমান, এই কাঁচামাল পলাশীপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি শিল্পী পাল বলেন, বিপুল পরিমাণ হেরোইন তৈরির সামগ্রী সহ তিনজন ধরা পড়েছে। আমরা ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করব। মাদক পাচার বন্ধে পুলিসের অভিযান অব্যাহত আছে। এই কাঁচামালের মালিকের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে পুলিস জেলার এসওজি ও কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিস যৌথ অভিযান চালায়। ওই থানার জোড়াকুঠির কাছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি সুগন্ধীবোঝাই লরি দাঁড় করানো হয়। পুলিস লরিতে তল্লাশি চালিয়ে দেখে, আটটি ড্রামে সুগন্ধীর বদলে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড রাখা আছে। যা হেরোইন তৈরির অন্যতম কাঁচামাল। এই অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইডের সঙ্গে মরফিন মিশিয়ে হেরোইন প্রস্তুত করা হয়। তাই মাদক প্রস্তুতকারীদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
পুলিসের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ কিংবা রাজস্থান থেকে এই কাঁচামাল আনা হচ্ছিল। কারণ ধৃতদের মধ্যে তাহির ও নাজিম রাজস্থানের বাসিন্দা। শুধুমাত্র অশোক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। জাতীয় সড়ক ধরে পলাশীপাড়া থানা এলাকায় তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
এমনিতেই পলাশীপাড়া থানার নলদহ এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্য বলেই পরিচিত। ওই এলাকায় একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। কখনও সেখানে পূর্ব ভারত থেকে হেরোইন তৈরির কাঁচামাল আনা হয়। আবার কখনও ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ থেকে আফিম আনা হয়। বহুদিন ধরেই নলদহে এই মাদকের কারবার চলছে। কার কাছে এই তিন পাচারকারী কাঁচামাল সরবরাহ করতে যাচ্ছিল, সেটাই তদন্ত করে দেখছেন গোয়েন্দারা।
বৃহস্পতিবার রাতে পুলিস জেলার এসওজি ও কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিস যৌথ অভিযান চালায়। ওই থানার জোড়াকুঠির কাছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি সুগন্ধীবোঝাই লরি দাঁড় করানো হয়। পুলিস লরিতে তল্লাশি চালিয়ে দেখে, আটটি ড্রামে সুগন্ধীর বদলে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড রাখা আছে। যা হেরোইন তৈরির অন্যতম কাঁচামাল। এই অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইডের সঙ্গে মরফিন মিশিয়ে হেরোইন প্রস্তুত করা হয়। তাই মাদক প্রস্তুতকারীদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
পুলিসের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ কিংবা রাজস্থান থেকে এই কাঁচামাল আনা হচ্ছিল। কারণ ধৃতদের মধ্যে তাহির ও নাজিম রাজস্থানের বাসিন্দা। শুধুমাত্র অশোক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। জাতীয় সড়ক ধরে পলাশীপাড়া থানা এলাকায় তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
এমনিতেই পলাশীপাড়া থানার নলদহ এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্য বলেই পরিচিত। ওই এলাকায় একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। কখনও সেখানে পূর্ব ভারত থেকে হেরোইন তৈরির কাঁচামাল আনা হয়। আবার কখনও ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ থেকে আফিম আনা হয়। বহুদিন ধরেই নলদহে এই মাদকের কারবার চলছে। কার কাছে এই তিন পাচারকারী কাঁচামাল সরবরাহ করতে যাচ্ছিল, সেটাই তদন্ত করে দেখছেন গোয়েন্দারা।



