নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: গেরুয়া গড় হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণনগর-১ ব্লকে ব্লকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বঞ্চনার শিকার যোগ্য উপভোক্তারা। সেখানে রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে বঞ্চিতদের মাথায় ছাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এখনও পর্যন্ত এই ব্লকের প্রায় ৩ হাজার উপভোক্তাকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ইতিমধ্যেই টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। যদিও সামগ্রিকভাবে কৃষ্ণনগর-১ নম্বর ব্লকে মোট ১১ হাজার উপভোক্তার মাথায় ছাদের ব্যবস্থা করা হবে, বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে যা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বড় হাতিয়ার হতে চলেছে। কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের বিডিও রঞ্জন সর্দার বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত তিন হাজার উপভোক্তার টাকা ছাড়া হয়েছে। তাঁরা মূলত অনুমোদন প্রাপ্ত উপভোক্তা। এছাড়াও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে যাঁরা ঘরের আবেদন করেছিলেন, তাঁরাও রয়েছেন। সেইসঙ্গে পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টের তালিকাও আছে। তাঁরাও সময়মতো ঘর পাবেন। সবমিলিয়ে প্রায় ১১ হাজার উপভোক্তা ঘর পাবেন। সমীক্ষা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর-১ ব্লকে মোট তিনটি বিধানসভা রয়েছে, কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ এবং নবদ্বীপ। বিজেপির দখলে থাকা কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার গ্রামীণ এলাকা থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ২৫ হাজার ভোটের লিড পায় গেরুয়া শিবির। অথচ এখানকার ভোটাররাই দীর্ঘদিন ধরে আবাস যোজনার বাড়ি থেকে বঞ্চিত। বারবার আবেদনের পরও টাকা পাঠায়নি কেন্দ্র সরকার। শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারই ‘অগতির গতি’ হয়ে উঠলআবাস বঞ্চিত উপভোক্তাদের। উত্তর বিধানসভার পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বাড়ি পাওয়ার জন্য মোট ৩ হাজার ৬৪১ জন উপভোক্তাকে বাছাই করা হয়েছে। এই বিধানসভার দোগাছি পঞ্চায়েতের ১০৯৮ জন, ভাণ্ডারখোলা পঞ্চায়েতের ৪৮১ জন, পোড়াগাছা পঞ্চায়েতের ৪৩৮ জন, ভীমপুর পঞ্চায়েতের ৮৩২ জন এবং আসানগর পঞ্চায়েতের ৭৯১ জন রয়েছেন। যার মধ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৬০০ উপভোক্তা ঘর তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। বাদ যাননি বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যও। রাজনৈতিক মহলের দাবি, বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে গেরুয়া গড়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের এই পরিসংখ্যান হাতিয়ার হবে তৃণমূল কংগ্রেসের।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ব্লকের বাকি পঞ্চায়েত, যেমন ভালুকায় ৭৪৯ জন, ভাতজাংলায় ৯৫৮ জন, চকদিগনগরে ৫৯৫ জন, দেপাড়ায় ৯১৬ জন, দিগনগরে ৭৫৮ জন, জোয়ানিয়ায় ২১৯ জন, রুইপুকুরে ৫৯৬ জনকে রাজ্য সরকার ঘর দেবে। যার মনে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ পরিবার ঘর তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এই পঞ্চায়েতগুলো কৃষ্ণনগর দক্ষিণ এবং নবদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত।
কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কার্তিকচন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘রাজনৈতিক রং দেখে পরিষেবা দেওয়া বিজেপির কাজ। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সবাই সমান। কেন্দ্র সরকার আমাদের ব্লকের মানুষকে বাড়ি দেওয়া নিয়ে বঞ্চনা করেছিল। আমাদের সরকার সেটাই বাস্তবায়িত করে দেখিয়েছে।’
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, ‘তৃণমূল দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে, যার জন্যই টাকা আটকে আছে। আর তাছাড়া যে টাকা বাংলার বাড়ির নামে দেওয়া হচ্ছে তা কেন্দ্র সরকারেরই টাকা।’
প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর-১ ব্লকে মোট তিনটি বিধানসভা রয়েছে, কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ এবং নবদ্বীপ। বিজেপির দখলে থাকা কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার গ্রামীণ এলাকা থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ২৫ হাজার ভোটের লিড পায় গেরুয়া শিবির। অথচ এখানকার ভোটাররাই দীর্ঘদিন ধরে আবাস যোজনার বাড়ি থেকে বঞ্চিত। বারবার আবেদনের পরও টাকা পাঠায়নি কেন্দ্র সরকার। শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারই ‘অগতির গতি’ হয়ে উঠলআবাস বঞ্চিত উপভোক্তাদের। উত্তর বিধানসভার পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বাড়ি পাওয়ার জন্য মোট ৩ হাজার ৬৪১ জন উপভোক্তাকে বাছাই করা হয়েছে। এই বিধানসভার দোগাছি পঞ্চায়েতের ১০৯৮ জন, ভাণ্ডারখোলা পঞ্চায়েতের ৪৮১ জন, পোড়াগাছা পঞ্চায়েতের ৪৩৮ জন, ভীমপুর পঞ্চায়েতের ৮৩২ জন এবং আসানগর পঞ্চায়েতের ৭৯১ জন রয়েছেন। যার মধ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৬০০ উপভোক্তা ঘর তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। বাদ যাননি বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যও। রাজনৈতিক মহলের দাবি, বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে গেরুয়া গড়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের এই পরিসংখ্যান হাতিয়ার হবে তৃণমূল কংগ্রেসের।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ব্লকের বাকি পঞ্চায়েত, যেমন ভালুকায় ৭৪৯ জন, ভাতজাংলায় ৯৫৮ জন, চকদিগনগরে ৫৯৫ জন, দেপাড়ায় ৯১৬ জন, দিগনগরে ৭৫৮ জন, জোয়ানিয়ায় ২১৯ জন, রুইপুকুরে ৫৯৬ জনকে রাজ্য সরকার ঘর দেবে। যার মনে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ পরিবার ঘর তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এই পঞ্চায়েতগুলো কৃষ্ণনগর দক্ষিণ এবং নবদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত।
কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কার্তিকচন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘রাজনৈতিক রং দেখে পরিষেবা দেওয়া বিজেপির কাজ। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সবাই সমান। কেন্দ্র সরকার আমাদের ব্লকের মানুষকে বাড়ি দেওয়া নিয়ে বঞ্চনা করেছিল। আমাদের সরকার সেটাই বাস্তবায়িত করে দেখিয়েছে।’
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, ‘তৃণমূল দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে, যার জন্যই টাকা আটকে আছে। আর তাছাড়া যে টাকা বাংলার বাড়ির নামে দেওয়া হচ্ছে তা কেন্দ্র সরকারেরই টাকা।’



