নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: দলীয় কোন্দলে বেসামাল পদ্মশিবির। দলীয় কমিটি গঠন করতে গিয়ে রীতিমতো হাবুডুবু খাচ্ছে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির নেতৃত্ব। ক্ষোভের বসে কোথাও কোথাও সমান্তরাল কমিটিও গঠিত হচ্ছে। ভুতুড়ে সদস্যরাই বুথ কমিটির কাণ্ডারি হয়ে উঠেছে। দেখা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু এলাকায় বুথ কমিটি তৈরি করার ব্যাপারে পিছিয়ে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, বিজেপি সংখ্যালঘু এলাকায় সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু হিন্দু এলাকাতেও বুথ কমিটি গঠনে পিছিয়ে পদ্ম শিবির। কোথাও কোথাও যদিও বাকমিটি গঠন করা হয়েছে, তা নিয়ে দলের অন্দরেই সরব হচ্ছেন বিজেপির একাংশ। তাদের অভিযোগ, গ্রাউন্ড জিরো লেভেলের কমিটি নাকি হচ্ছে শুধুই খাতায় কলমে। বাস্তবের তার অস্তিত্ব নেই। যে সমস্ত বুথ কমিটিকে দলের তরফে সম্মতি দেওয়া হয়েছে, তার সদস্যরা কেউই সক্রিয় নন। এই পরিস্থিতিতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হবে। এরজন্য প্রতিটিমণ্ডল থেকে পাঁচটি করে নাম পাঠানো হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বদের কাছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেই নাম ঘোষণা হলেই ক্ষোভের আঁচ আরও বাড়বে।
Advertisement
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানে রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় হয়েছিল। জেলা বিজেপির দাবি, তাঁরা জেলার দেড় লক্ষ মানুষকে বিজেপির সদস্য করতে সক্ষম হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই বুথ কমিটি, মণ্ডল কমিটি গঠনে কোনও বিতর্ক হবে না, এমনটাই ভেবেছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তেহট্ট বিধানসভার বেশকিছু বুথে সমান্তরাল কমিটি গঠন করা হয়েছে। কারণ সেখানে দলের একাংশের অভিযোগ, নেতারা ঘরে বসেই কমিটি গঠন করেছেন। ফলে প্রকৃত সক্রিয় কর্মীরা ব্রাত্য থেকে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বুথ সভাপতি থেকে মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা হলেই দলেরই একাংশ বেঁকে বসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার বেশকিছু বুথেও একই ছবি। সম্প্রতি, সেই ক্ষোভেই করিমপুর-২ ব্লকের দিগলকান্দি পঞ্চায়েতের ৭৪ নম্বর বুথের ৫০টি বিজেপি পরিবার তৃণমূলে যোগ দেয়। ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি কার্তিক চন্দ্র মণ্ডল বলেছেন, ‘বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি মানুষ মেনে নিচ্ছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন মানুষজন।’
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলায় ১৮৪৪টি বুথ রয়েছে। এরমধ্যে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বুথের সংখ্যা ১৩০০টি। যার মধ্যে প্রায় এক হাজার বুথে ‘খাতায় কলমে’ কমিটি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় তিনশোটি হিন্দু বুথে এবং পাঁচশোর বেশি সংখ্যালঘু বুথে দাঁত ফোটাতে পারেনি পদ্মশিবির।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিগঞ্জ ব্লকের মাটিয়ারি পঞ্চায়েতের একটি মণ্ডলে পঞ্চাশ জন সক্রিয় সদস্য হয়েছেন। তিনজনের নাম দলের কাছে পাঠানো হয়েছে। একজনকে মণ্ডল সভাপতি হিসেবে চেয়েছেন সদস্যরা। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, দলের তরফ থেকে তাঁদের নাম ‘প্যানেলে’ রাখাই হয়নি। আবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার দুটি মণ্ডলের সভাপতি নির্বাচন করা নিয়েও দলের অন্দরে মতবিরোধ দেখা গিয়েছে।
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ সভাপতি সৈকত সরকার বলেন, খুব শীঘ্রই মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা হবে। রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতি মণ্ডল থেকে পাঁচটি করে নাম ঠিক করা হয়েছে। আমাদের বুথ কমিটি গঠন হয়ে গিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলায় ১৮৪৪টি বুথ রয়েছে। এরমধ্যে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বুথের সংখ্যা ১৩০০টি। যার মধ্যে প্রায় এক হাজার বুথে ‘খাতায় কলমে’ কমিটি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় তিনশোটি হিন্দু বুথে এবং পাঁচশোর বেশি সংখ্যালঘু বুথে দাঁত ফোটাতে পারেনি পদ্মশিবির।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিগঞ্জ ব্লকের মাটিয়ারি পঞ্চায়েতের একটি মণ্ডলে পঞ্চাশ জন সক্রিয় সদস্য হয়েছেন। তিনজনের নাম দলের কাছে পাঠানো হয়েছে। একজনকে মণ্ডল সভাপতি হিসেবে চেয়েছেন সদস্যরা। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, দলের তরফ থেকে তাঁদের নাম ‘প্যানেলে’ রাখাই হয়নি। আবার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার দুটি মণ্ডলের সভাপতি নির্বাচন করা নিয়েও দলের অন্দরে মতবিরোধ দেখা গিয়েছে।
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ সভাপতি সৈকত সরকার বলেন, খুব শীঘ্রই মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা হবে। রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতি মণ্ডল থেকে পাঁচটি করে নাম ঠিক করা হয়েছে। আমাদের বুথ কমিটি গঠন হয়ে গিয়েছে।



