সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীররঞ্জন লাহিড়ি মহাবিদ্যালয়ের ৫০ মিটারের মধ্যে ৪টি বাঙ্কারের হদিশ মেলার রেশ কাটতে না কাটতেই ভাজনঘাট এলাকা থেকে ধরা পড় দুই রোহিঙ্গা। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম এম জাভেদ ও এমডি নুর। বাড়ি মায়নামারের লেমায়ানমার জেলার চরনাম্বার থানার করহালি ও মুণ্ডুমায়ানমার জেলার ফুপরায়। সোমবার তাদের কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজত হয়। ধৃতরা বাংলাদেশের কক্সবাজার উদ্বাস্তু ক্যাম্পে থাকত। বছর খানেক আগে দু’জন কৃষ্ণগঞ্জ থানা এলাকা দিয়ে এদেশে ঢোকে। তারপর তারা হায়দরাবাদে কাজ চলে গিয়েছিল। কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ থেকে দুই নাবালিকাকে নিয়ে এদেশে প্রবেশ করেছিল এক রোহিঙ্গা। মানব পাচারের এক দালাল টাকার বিনিময়ে তাদের এপাড়ে নিয়ে আএস। পরে গেদে স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে শিয়ালদহতেও পৌঁছয়। দু’টো পিঠোপিঠি ঘটনা বাংলায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে সংশ্লিষ্ট মহল। জানা গিয়েছে, মাজদিয়ায় বাঙ্কার কাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে মাঠপাড়ার দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। সেখান থেকে দুই রোহিঙ্গা ধরা পড়ায় দু’টি ঘটনার যোগসূত্র উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। রোহিঙ্গাদের নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচারের কাজে লাগানো হতো কি না, সেটা এখন আতস কাচের তলায়। নদীয়া জেলায় কাঁটাতারহীন এলাকার মধ্যে নদী এলাকায় পড়ে সাড়ে তেরো কিমি। আর স্থলভাগে পড়ে ১০.২ কিমি। এর মধ্যে কৃষ্ণগঞ্জ থানা এলাকায় প্রায় আড়াই কিমিজুড়ে কাঁটাতার নেই। এই ফেন্সিংহীন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গারা ঢুকছে বলে জানা গিয়েছে । মাঠপাড়া এলাকায় রবিবার রাতে ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে দুজন ঘোরাঘুরি করলে স্থানীয়রা পুলিসের কাছে খবর পাঠায়। পুলিস দুই রোহিঙ্গার কাছে কোন বৈধ কাগজপত্র না পেয়ে তাদের গ্রেফতার করে।



