নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: চার বছর ধরে কোর্টের সমন উপেক্ষা করায় শুক্রবারই পুলিস অফিসার সুব্রত দাসগুপ্তকে হেফাজতে নিয়েছিল তমলুক কোর্ট। শনিবার ওই পুলিস অফিসার আদালতের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে জামিন পেলেন। পাশাপাশি এদিন তিনি মামলার সাক্ষ্যও দিয়েছেন। আগের দিন হেফাজতে নেওয়ার পর নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিসের পদস্থ অফিসাররা আদালতে পৌঁছে যান। আইনজীবীদের একাংশ তাঁর দ্রুত জামিনের জন্য ডিস্ট্রিক্ট জজের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, সুব্রত দাসগুপ্ত রাজ্য পুলিসের এসআই। আগে পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক থানায় কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সাল নাগাদ কোলাঘাট থানায় কর্মরত থাকাকালীন খুনের চেষ্টার একটি মামলার তিনি তদন্তকারী অফিসার ছিলেন। বর্তমানে তিনি হাওড়া জেলার দাসনগর থানায় কর্মরত। কোলাঘাট থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলা ২০১৯ সালের ৮ জুলাই থেকে তমলুক কোর্টে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব চলাকালীন প্রথম তদন্তকারী অফিসার হিসেবে সুব্রতবাবুকে সমন জারি করে কোর্ট। কিন্তু, তিনি আইনশৃঙ্খলার কাজে ব্যস্ত দেখিয়ে কোর্টে হাজির হননি। টানা চার বছর ধারাবাহিকভাবে সমন এড়িয়ে গিয়েছেন ওই পুলিস কর্মী। জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির পরও তিনি কোর্টে হাজিরা দেননি। এরপর ক্ষুব্ধ আদালত গত ৬ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তারপরই হুঁশ ফেরে সুব্রতবাবুর। ৩১ জানুয়ারি মামলার নির্ধারিত দিনে তমলুকের সেকেন্ড সেশন কোর্ট(সিনিয়র ডিভিশন-২)-এ হাজির হন। বিচারক ওবেদ টেসরিং লেপচা ওই পুলিস অফিসারকে হেফাজতে নেন। তারপরই উত্তাল হয়ে ওঠে তমলুক কোর্ট চত্বর।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মামলায় মোট সাক্ষী সংখ্যা ১০জন। ২০২০সালেই ওই পুলিস অফিসার ছাড়া প্রত্যেকের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালের শেষ থেকেই সুব্রতবাবুর সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ শুরু হয়। ২০২১ সাল থেকে সমন পাঠানো চলতে থাকে। শুধুমাত্র তাঁর সাক্ষ্য আটকে থাকায় ওই মামলা ২০২১সাল থেকে ঝুলে রয়েছে। শনিবার তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই মামলার সকল সাক্ষীর সাক্ষ্যদান শেষ হল। এরপর অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব রয়েছে। তারপরই মামলার রায়দান হবে। একাধিক মামলায় সাক্ষ্যদানের সময় পুলিস ও চিকিৎসকদের সমন পাঠিয়েও আদালতে হাজির করানো যায় না। এনিয়ে মামলা দীর্ঘায়িত হয়। এই সমস্যা সমাধানে দু’মাস আগে হাইকোর্ট এক নির্দেশ দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, পুলিস ও চিকিৎসকরা যাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারেন সেই পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। রাজ্য সরকার জেলায় জেলায় এই পরিকাঠামো তৈরি করবে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মামলায় মোট সাক্ষী সংখ্যা ১০জন। ২০২০সালেই ওই পুলিস অফিসার ছাড়া প্রত্যেকের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালের শেষ থেকেই সুব্রতবাবুর সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ শুরু হয়। ২০২১ সাল থেকে সমন পাঠানো চলতে থাকে। শুধুমাত্র তাঁর সাক্ষ্য আটকে থাকায় ওই মামলা ২০২১সাল থেকে ঝুলে রয়েছে। শনিবার তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই মামলার সকল সাক্ষীর সাক্ষ্যদান শেষ হল। এরপর অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব রয়েছে। তারপরই মামলার রায়দান হবে। একাধিক মামলায় সাক্ষ্যদানের সময় পুলিস ও চিকিৎসকদের সমন পাঠিয়েও আদালতে হাজির করানো যায় না। এনিয়ে মামলা দীর্ঘায়িত হয়। এই সমস্যা সমাধানে দু’মাস আগে হাইকোর্ট এক নির্দেশ দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, পুলিস ও চিকিৎসকরা যাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারেন সেই পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। রাজ্য সরকার জেলায় জেলায় এই পরিকাঠামো তৈরি করবে।



