নিজস্বপ্রতিনিধি,সিউড়ি: অনেক সময়ে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে চাষ করেও বহু কৃষক লাভের মুখ দেখতে পান না। ক্লাস্টার চাষের হাত ধরে সেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। এবার বীরভূম জেলার কৃষকদের ক্লাস্টার চাষে আগ্রহী করতে উদ্যোগ নিল জেলা উদ্যানপালন দপ্তর। ইতিমধ্যে দপ্তরের তরফে জেলার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সেই চাষের গুনাগুণ বোঝানো শুরু হয়েছে। কীভাবে এই চাষের মাধ্যমে তাঁদের উৎপাদিত ফসলের মূল্য নির্ধারণে তাঁরা ভূমিকা পালন করতে পারবেন, তাও বোঝানো হচ্ছে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঐক্যবদ্ধ ভাবে কৃষি কাজ করলে ফড়েদের দাপট থেকেও কৃষকরা মুক্তি পাবেন। জেলা জুড়ে ধান, বিভিন্ন সব্জি সহ বাণিজ্যিক ভাবে সফল একাধিক ফসলের চাষ হয়। কৃষকরা এককভাবে বৃহৎ আকারে চাষ করলে খুব একটা সমস্যা দেখা দেয় না। কিন্তু অল্প মাত্রায় উৎপাদিত ফসলের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। জানা গিয়েছে, এককভাবে কোনও কৃষক অল্প জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করলে ফসল বাজার জাত করতে তাঁকে চিন্তাভাবনা করতে হয়। তাছাড়া উৎপাদিত ফসলের দামও তাঁরা ঠিক করতে পারেন না। ক্লাস্টার চাষে এসব ঝক্কি অনেকটাই কমবে। উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করার বিষয়ে কৃষকদের চিন্তা থাকবে না। উৎপাদিত ফসলের দামও তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
Advertisement
জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জনাকয়েক কৃষক একজোট হয়ে চাষ করাকেই বলে ক্লাস্টার চাষ। অবশ্যই তা একই এলাকায় হতে হবে। এক্ষেত্রে একই এলাকায় নির্দিষ্ট ফসল উৎপাদন অনেকটাই বাড়বে। ফসল কিনতে আড়তদাররাই কৃষকদের কাছে পৌঁছে যাবেন। এছাড়াও উৎপাদিত ফসলের দামও কৃষকরা নির্ধারণ করতে পারবেন ।স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা লাভের মুখ দেখতে পারবেন। ক্ষতির শঙ্কা অনেকটাই কমবে।
উদ্যান পালন দপ্তরের জেলা আধিকারিক সুবিমল মণ্ডল বলেন, ফসল উৎপাদনে কৃষকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। তারপরও অনেকেই সঠিক দাম না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হন। কৃষকরা ক্লাস্টার চাষে যুক্ত হলে সেই সমস্যার নিরসন হবে। ফার্মাস প্রোডিউসার কোম্পানির একটি মুখ্য উদ্দেশ্য ক্লাস্টার তৈরি করা। জেলায় সেই কাজ শুরু করা হচ্ছে।
উদ্যান পালন দপ্তরের জেলা আধিকারিক সুবিমল মণ্ডল বলেন, ফসল উৎপাদনে কৃষকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। তারপরও অনেকেই সঠিক দাম না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হন। কৃষকরা ক্লাস্টার চাষে যুক্ত হলে সেই সমস্যার নিরসন হবে। ফার্মাস প্রোডিউসার কোম্পানির একটি মুখ্য উদ্দেশ্য ক্লাস্টার তৈরি করা। জেলায় সেই কাজ শুরু করা হচ্ছে।



