সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: বুধবার কোচবিহার জেলার ক্ষুদ্র চা চাষিদের বাগান পরিদর্শনে এলেন বিশ্বের নানা দেশের ২৪ জনের একটি প্রতিনিধি দল। ওই দলে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, জাপান, শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, জার্মানি ও ভারতের প্রতিনিধিরা ছিলেন। তাঁরা প্রথমে মেখলিগঞ্জ ব্লকের জামালদহে কোচবিহার জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে এলাকার মহিলাদের দ্বারা তৈরি ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন কেন্দ্র, চা কারখানা, আবহাওয়া স্টেশন ঘুরে ঘুরে দেখেন। কথা বলেন এলাকার ক্ষুদ্র চা চাষিদের সঙ্গে। পরিদর্শন করেন বেশ কয়েকটি চা বাগানও।
Advertisement
এলাকার অভিজ্ঞ চা চাষি রতন রায় প্রামাণিকের বাড়িতেও যান তাঁরা। বিদেশি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক সংস্থা সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার কর্মকর্তারাও। হাজির ছিলেন নাবার্ডের কোচবিহার জেলার ডিডিএম জয়ন্ত থোকদার, কোচবিহার জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জলপাইগুড়ি জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির সভাপতি রজত রায় কার্জি প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন জেলার ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিদেশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মঙ্গলবার বাগডোগরা এয়ারপোর্টে নেমে শিলিগুড়িতে রাত্রিযাপন করেন। বুধবার সকালে তাঁরা সড়কপথে জামালদহে আসেন। সেখান থেকে জলপাইগুড়ি জেলার বালাসনে ক্ষুদ্র চা চাষিদের উদ্যোগে গঠিত জয় জল্পেস কারখানা ঘুরে দেখেন তাঁরা। পরিদর্শন করেন চা কারখানার প্যাকেজিং ইউনিটও। ভারতে তৈরি চায়ের প্রশংসা করেন তাঁরা। প্রতিনিধি দলে থাকা সলিডারিডাডের এশিয়ার কর্মকর্তা শতদ্রু চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিশ্বের বাজারে ভারতীয় চায়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। সামগ্রিকভাবে চায়ের মান বাড়লে রপ্তানি আরও বাড়বে। এখানকার ক্ষুদ্র চা চাষিরা ভালো চা উৎপাদন করছে।
এদিন কোচবিহার জেলার পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার ক্ষুদ্র চা চাষিদের বাগানও পরিদর্শন করেন তাঁরা। জলপাইগুড়িতে জৈব পদ্ধতিতে আদা, হলুদ চাষ হচ্ছে। পাশাপাশি সহযোগী ফসল হিসেবে চা বাগানের মধ্যে নারকেল ও সুপারি চাষ হচ্ছে। এদিন সেই সব কৃষিক্ষেত্রও পরিদর্শন করেন তাঁরা। তারপর শিলিগুড়িতে ফিরে যান। জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ে দু’দিন কাটিয়ে গন্তব্যে ফিরে যাবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
বিদেশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মঙ্গলবার বাগডোগরা এয়ারপোর্টে নেমে শিলিগুড়িতে রাত্রিযাপন করেন। বুধবার সকালে তাঁরা সড়কপথে জামালদহে আসেন। সেখান থেকে জলপাইগুড়ি জেলার বালাসনে ক্ষুদ্র চা চাষিদের উদ্যোগে গঠিত জয় জল্পেস কারখানা ঘুরে দেখেন তাঁরা। পরিদর্শন করেন চা কারখানার প্যাকেজিং ইউনিটও। ভারতে তৈরি চায়ের প্রশংসা করেন তাঁরা। প্রতিনিধি দলে থাকা সলিডারিডাডের এশিয়ার কর্মকর্তা শতদ্রু চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিশ্বের বাজারে ভারতীয় চায়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। সামগ্রিকভাবে চায়ের মান বাড়লে রপ্তানি আরও বাড়বে। এখানকার ক্ষুদ্র চা চাষিরা ভালো চা উৎপাদন করছে।
এদিন কোচবিহার জেলার পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার ক্ষুদ্র চা চাষিদের বাগানও পরিদর্শন করেন তাঁরা। জলপাইগুড়িতে জৈব পদ্ধতিতে আদা, হলুদ চাষ হচ্ছে। পাশাপাশি সহযোগী ফসল হিসেবে চা বাগানের মধ্যে নারকেল ও সুপারি চাষ হচ্ছে। এদিন সেই সব কৃষিক্ষেত্রও পরিদর্শন করেন তাঁরা। তারপর শিলিগুড়িতে ফিরে যান। জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ে দু’দিন কাটিয়ে গন্তব্যে ফিরে যাবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।



