ভোপাল: ১৬ বছরের কিশোরীকে অপহরণ করে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে গণধর্ষণ। এমনই অভিযোগে ঘিরে তোলপাড় মধ্যপ্রদেশের মৌগঞ্জ। এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, গত ২৫ নভেম্বর হনুমান তহশিলে ওই কিশোরীকে জননী এক্সপ্রেস অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেয় দুই অভিযুক্ত। তারপর অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরেই তাকে ধর্ষণ করে চালক বীরেন্দ্র চতুর্বেদী ও তার শাগরেদ রাজেশ কেওয়াত।
Advertisement
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডলে জননী এক্সপ্রেস অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেয় রাজ্য সরকার। গ্রামীন মধ্যপ্রদেশে অন্তঃসত্ত্বা, অসুস্থ শিশু ও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত হয় এই অ্যাম্বুলেন্স। নির্যাতিতা কিশোরী পুলিসকে জানিয়েছে, দুই অভিযুক্ত জোর করে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলে। ঘটনার দিনই নির্যাতিতা ও তার পরিবার পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলিয়েছে। এরপরই অভিযুক্তদের সন্ধানেশুরু হয়। মৌগঞ্জের পুলিস সুপার স্বর্ণ ঠাকুর বলেন, নাগারি এলাকা থেকে দুই অভিযুক্তকে বুধবার গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর রেওয়া জেলায় নববিবাহিত এক মহিলাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। একমাসের মধ্যে ফের রাজ্যে একই ধরনের ঘটনা। এবার লালসার শিকার এক নাবালিকা। স্বাভাবিকভাবেই নানা মহলে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর রেওয়া জেলায় নববিবাহিত এক মহিলাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। একমাসের মধ্যে ফের রাজ্যে একই ধরনের ঘটনা। এবার লালসার শিকার এক নাবালিকা। স্বাভাবিকভাবেই নানা মহলে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।



