নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে মায়াকান্না কেঁদেও লাভ কিছু হল না। ১৬ বছরের এক কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন ও পাচার‑কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত প্রতিমা সামন্ত ও তার স্বামী শেখর সামন্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ শোনাল আদালত। বৃহস্পতিবার নগর দায়রার বিশেষ পকসো আদালত ওই রায় দেয়। পাশাপাশি দম্পতিকে বিভিন্ন ধারায় পৃথক সাজাও দেন বিচারক। তার সঙ্গে দেন আর্থিক জরিমানার নির্দেশ। জরিমানার টাকা আদায় হলে নির্যাতিতার হাতে তুলে দেওয়ার কথাও বলা হয়। কড়া আদেশের পাশাপাশি কলকাতা জেলা লিগ্যাল এইডকে নির্দেশ দেওয়া হয়, রায়দানের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কিশোরীকে দিতে হবে পাঁচ লক্ষ টাকা। সরকারি কৌঁসুলি সৈকত পাণ্ডে এদিন আদালতে বলেন, দোষী সাব্যস্ত দম্পতির কড়া সাজা হওয়ায় আমরা সরকার পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করছি। সওয়াল চলাকালে আমরা ওই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আদালতে কড়া সাজার দাবি জানিয়ে আসছিলাম।
Advertisement
এদিন জেল থেকে প্রতিমা ও তার স্বামীকে নগর দায়রা আদালতে পুলিস হাজির করে। রায়দানের আগে দেখা যায়, দোষী সাব্যস্ত প্রতিমার কোলে তার এক বছরের শিশুপুত্রটি। প্রতিমা বিচারককে বলে, আমায় যেন কম সাজা দেওয়া হয়। এজলাসে বিচারকের মন্তব্য, তাহলে আপনি যে অপরাধ করেছেন, তা স্বীকার করে নিলেন। উত্তরে সে বলে, আমার শিশুটির জন্য এই কথা বললাম। বিচারকের মন্তব্য, আপনি এবং আপনার স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। তাই আপনাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হল। এদিকে, জেলে যাতে শিশুপুত্রটির কোনও সমস্যা না হয়, তারজন্য আগেই জেল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক।
এদিন রায়দানের পর কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে নগর দায়রার মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু বলেন, দেরিতে হলেও অপরাধীরা সাজা পেয়েছে। নানাভাবে তারা পার পাওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তাদের জেলে যেতে হল। ২০১৪ সালে অপরাধীরা মোটা টাকার বিনিময়ে ১৬ বছরের কিশোরীকে বড়তলার নিষিদ্ধ পল্লিতে বিক্রির চেষ্টা চালিয়েছিল। নাবালিকার ওপর চালানো হয় যৌন নির্যাতনও। পরে কলকাতা পুলিসের তৎপরতায় ধরা পড়ে অপরাধীরা।
এদিন রায়দানের পর কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে নগর দায়রার মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু বলেন, দেরিতে হলেও অপরাধীরা সাজা পেয়েছে। নানাভাবে তারা পার পাওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তাদের জেলে যেতে হল। ২০১৪ সালে অপরাধীরা মোটা টাকার বিনিময়ে ১৬ বছরের কিশোরীকে বড়তলার নিষিদ্ধ পল্লিতে বিক্রির চেষ্টা চালিয়েছিল। নাবালিকার ওপর চালানো হয় যৌন নির্যাতনও। পরে কলকাতা পুলিসের তৎপরতায় ধরা পড়ে অপরাধীরা।



