নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর: একসময় কেশপুরজুড়ে রাজনৈতিক হানাহানি লেগেই থাকত। এলাকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য একেবারে ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। কিন্তু এখন ছবিটা বদলেছে। কেশপুরে সংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা নিচ্ছে ‘বিবেক চেতনা উৎসব কমিটি’। সারাবছর ধরে এই কমিটির তরফে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। তাঁদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কেশপুরের মানুষের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। মূলত গ্রামবাংলার সংস্কৃতি তুলে ধরতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
Advertisement
বিবেক চেতনা উৎসব কমিটির সম্পাদক প্রদ্যুৎ পাঁজা বলেন, সারাবছর ধরে আমরা নানা কর্মসূচি পালন করি। কেশপুরের সংস্কৃতি তুলে ধরাই আমাদের মূল কর্তব্য। পুলিস, প্রশাসন এবং কমিটির সমস্ত সদস্যের সহযোগিতা ছাড়া এত কর্মসূচি আয়োজন আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। আগামী দিনের জন্যও আমাদের একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে।
২০১২সাল নাগাদ কেশপুরের বেশ কিছু সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের উদ্যোগে বিবেক চেতনা উৎসব কমিটির সূচনা হয়। প্রথম বছর থেকেই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড করে এই কমিটির সদস্যরা এলাকায় সাড়া ফেলে দেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে বিবেক চেতনা উৎসব আয়োজন শুরু হয়। ২০১৬ সালের পর থেকে কমিটির কাজের গতি দ্বিগুণ হারে বাড়তে শুরু করে। কেশপুরে রাজনৈতিক হানাহানি তখন কমছে। ধীরে ধীরে বহু মানুষ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেন। সেসময় থেকে স্বামীজির জন্মদিনে বিবেক চেতনা উৎসব আরও আড়ম্বরের সঙ্গে আয়োজন শুরু হয়। এবছরও তার অন্যথা হয়নি। কেশপুরের কচিকাঁচাদের জন্য নৃত্য, সঙ্গীত, যোগব্যায়াম সহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এই উৎসব কেশপুরের বাসিন্দাদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কমিটির সদস্য মৃণালকান্তি মণ্ডল, তপন পাত্র, সুশান্ত পাঁজা জানান, বিবেক চেতনা উৎসবে সারা জেলা থেকে ১৭টি ইভেন্টে প্রায় ১২০০ প্রতিযোগী অংশ নেয়। সারা বছর নানা কর্মসূচিতে কেশপুরের ছাত্রছাত্রীরা যোগদান করে।
সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি সমাজসেবাতেও এগিয়ে এই কমিটির সদস্যরা। তাঁদের উদ্যোগে প্রতিবছর বস্ত্র বিতরণ করা হয়। পুজোর সময় দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়। প্রত্যন্ত এলাকার ছেলেমেয়েদের যোগব্যায়াম, ছবি আঁকা, নৃত্য, আবৃত্তি শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এই কমিটির সদস্যদের উদ্যোগে করোনা সঙ্কটের সময়ও সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খাবার ও ওষুধের ব্যবস্থা করেছিলেন কমিটির সদস্যরা। করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার করেও বিশেষ সাড়া ফেলে এই কমিটি।
উৎসব কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন গড়াই ও কমিটির আহ্বায়ক কার্তিকচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষের পাশে থাকা আমাদের প্রধান কর্তব্য। কোনও মানুষ সমস্যায় পড়লে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।-নিজস্ব চিত্র
২০১২সাল নাগাদ কেশপুরের বেশ কিছু সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের উদ্যোগে বিবেক চেতনা উৎসব কমিটির সূচনা হয়। প্রথম বছর থেকেই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড করে এই কমিটির সদস্যরা এলাকায় সাড়া ফেলে দেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে বিবেক চেতনা উৎসব আয়োজন শুরু হয়। ২০১৬ সালের পর থেকে কমিটির কাজের গতি দ্বিগুণ হারে বাড়তে শুরু করে। কেশপুরে রাজনৈতিক হানাহানি তখন কমছে। ধীরে ধীরে বহু মানুষ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেন। সেসময় থেকে স্বামীজির জন্মদিনে বিবেক চেতনা উৎসব আরও আড়ম্বরের সঙ্গে আয়োজন শুরু হয়। এবছরও তার অন্যথা হয়নি। কেশপুরের কচিকাঁচাদের জন্য নৃত্য, সঙ্গীত, যোগব্যায়াম সহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এই উৎসব কেশপুরের বাসিন্দাদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কমিটির সদস্য মৃণালকান্তি মণ্ডল, তপন পাত্র, সুশান্ত পাঁজা জানান, বিবেক চেতনা উৎসবে সারা জেলা থেকে ১৭টি ইভেন্টে প্রায় ১২০০ প্রতিযোগী অংশ নেয়। সারা বছর নানা কর্মসূচিতে কেশপুরের ছাত্রছাত্রীরা যোগদান করে।
সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি সমাজসেবাতেও এগিয়ে এই কমিটির সদস্যরা। তাঁদের উদ্যোগে প্রতিবছর বস্ত্র বিতরণ করা হয়। পুজোর সময় দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়। প্রত্যন্ত এলাকার ছেলেমেয়েদের যোগব্যায়াম, ছবি আঁকা, নৃত্য, আবৃত্তি শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এই কমিটির সদস্যদের উদ্যোগে করোনা সঙ্কটের সময়ও সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খাবার ও ওষুধের ব্যবস্থা করেছিলেন কমিটির সদস্যরা। করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার করেও বিশেষ সাড়া ফেলে এই কমিটি।
উৎসব কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন গড়াই ও কমিটির আহ্বায়ক কার্তিকচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষের পাশে থাকা আমাদের প্রধান কর্তব্য। কোনও মানুষ সমস্যায় পড়লে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।-নিজস্ব চিত্র



