Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কৌশলে চলছে হেলে যাওয়া বাড়ি   ভাঙার কাজ, আশ্বস্ত প্রতিবেশীরা

কৌশলে চলছে হেলে যাওয়া বাড়ি   ভাঙার কাজ, আশ্বস্ত প্রতিবেশীরা
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাঘাযতীনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিল্ডিং বিভাগের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসএই) ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে (এই) শোকজ করল কলকাতা পুরসভা। এদিকে, ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট মঙ্গলবার পুর কমিশনার ধবল জৈনের কাছে জমা পড়েছে বলে খবর। মূলত, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়াই বাড়ি লিফটিং করতে গিয়ে যে বিপত্তি হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। এছাড়াও, প্রযুক্তিগত নিয়ম না মেনে এবং পুরসভাকে অন্ধকারে রেখে কাজ করার কথা বলা হয়েছে তাতে। তবে, ওই জমিতে অতীতে কখনও পুকুর বা জলা ছিল না। পুরসভা সূত্রে খবর, বাঘাযতীনে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান করে বেশ কয়েকটি বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন তদন্তকারীরা। এক আধিকারিক বলেন, অফিসারদের শোকজ করা হচ্ছে। চার মাস ধরে গোটা বাড়ি ঘিরে রেখে কাজ হচ্ছে, অথচ অফিসাররা কিছু জানতে পারলেন না, এটা কীভাবে সম্ভব। আধিকারিকদের একাংশের অবশ্য, গার্ডেনরিচের ঘটনার পর নিচুতলার আধিকারিকদের নিয়মিত এলাকা ঘুরে বিল্ডিং সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য অ্যাপে আপলোড করতে বলা হয়েছিল। সেই কাজে কি তাহলে ফাঁকি পড়েছে, বাঘাযতীনের ঘটনা সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।অন্যদিকে, হেলে পড়া বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলছে জোরকদমে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শ মেনে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে বাড়িটি উপর থেকে ধীরে ধীরে ভাঙা হচ্ছে। বাড়ির একাংশ যেভাবে ভেঙে পড়েছিল এবং বহুতলটি হেলে পড়েছিল, তাতে ভাঙতে গিয়ে আশপাশের বাড়িগুলির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু, এখন আর কোনও বিপদ নেই। আতঙ্ক কেটেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এক বাসিন্দা বলেন, যেভাবে বাড়িটি হেলে ছিল, সেটি ভাঙতে গেলে পাশের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। প্রযুক্তির কৌশলকে ব্যবহার করে সতর্কতার সঙ্গে সেই কাজ করছে পুরসভা। ফলে, নতুন করে কোনও অঘটনের সম্ভাবনা নেই।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ