সন্দীপ স্বর্ণকার,নয়াদিল্লি: মাত্র ১৭ বছর বয়সে বাবা রাজীব গান্ধীর নির্বাচনী প্রচার দিয়ে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক আঙিনায় পা। পরে সেটাই পরিণত হল পাকাপাকি। মা সোনিয়া, দাদা রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্যান্য প্রার্থীর হয়ে ‘তারকা প্রচারক’। বৃহস্পতিবার সেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীই ৫২ বছর বয়সে শপথ নিলেন সাংসদ হিসেবে। প্রথমবার। কেরলের ওয়েনাড় থেকে উপ-নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতে লোকসভায় শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হল ইতিহাস। একই সময়কালে সংসদে গান্ধী পরিবারের তিনজন। সোনিয়া রাজ্যসভায়। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা লোকসভায়।
Advertisement
এদিন প্রিয়াঙ্কার শপথ কর্মসূচি ঘিরে সংসদে ছিল অন্য আমেজ। ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর আদল তাঁর। এদিন প্রথমবার সাংসদ হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে ঠাকুমার মতোই ঘি-রঙা সোনালি পাড়ের শাড়ি পরেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কেরলের এমপি। ওয়েনাড়ের ভোটারদের আবেগকে সম্মান করতে পরছিলেন ঐতিহ্যবাহী কাসাভু শাড়ি। যা দেখে এক ঝলকে পুরনো সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হলে রাখা এস রয়েরিচের আঁকা ইন্দিরা গান্ধীর ছবির সঙ্গে যেন মিলে গেল।
বেলা ১১ টায় লোকসভার অধিবেশন বসার পর এদিনের প্রথম কর্মসূচি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর শপথ। জয়ের শংসাপত্র হাতে সামান্য আগেই সভায় পৌঁছন তিনি। বসেন বিরোধী বেঞ্চের চতুর্থ সারিতে। লোকসভার সচিব উৎপল কুমার সিং তাঁর নাম ডাকতেই স্পিকার ওম বিড়লার পাশে রাখা পোর্ডিয়ামে গিয়ে হিন্দিতে শপথ নেন প্রিয়াঙ্কা। হাতে কালো বর্ডারে লাল মলাটের সংবিধান। শপথ শেষে স্লোগান, ‘জয় হিন্দ।’ শপথের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা হতেই কংগ্রেস সাংসদরা তোলেন স্লোগান, জোড়ো জোড়ো ভারত জোড়ো। সরকার পক্ষের বেঞ্চ চুপ। অনুপস্থিত নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। তবে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, কিরেণ রিজিজুর মতো কয়েকজন মন্ত্রী। আর লোকসভার দর্শক গ্যালারিতে সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট ওয়াধেরা, শাশুড়ি মৌরিন ওয়াধেরা, ছেলে-মেয়ে রিহান আর মিরায়া। সভার মধ্যে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সাক্ষী রইল প্রিয়াঙ্কার পুরো পরিবার। শপথ শেষে নতুন সাংসদদের তালিকার জাব্দা খাতায় প্রিয়াঙ্কা সই শেষে কংগ্রেসের বেঞ্চের দিকে যেতেই বোনকে আলিঙ্গন করলেন রাহুল। পরে সংসদের মকর দ্বারের বাইরে বোনকে নিজের মোবাইল ক্যামেরায় বন্দিও করেন। সভা থেকে বেরনোর পর এক প্রশ্নের জবাবে ‘বর্তমান’কে একান্তভাবে সোনিয়া বললেন, ‘আই অ্যাম ভেরি প্রাউড। এতদিনে স্বপ্ন সফল হল।’ প্রিয়াঙ্কা প্রতিবেদককে জানালেন, ‘খুব ভালো লাগছে। সংসদে আগেও এসেছি। তবে দর্শক হিসেবে। আজ সাংসদ। সাধারণ মানুষের কথাই তুলে ধরব সংসদে।’ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তো গত জুলাই মাসে নতুন সাংসদদের শপথ অনুষ্ঠানে একপ্রকার সতর্ক করেছিলেন, নিদিষ্ট ফরম্যাট ছাড়া কোনও আচরণ নয়। তারপরেও আপনার হাতে সংবিধানের কপি? জয় হিন্দ স্লোগান? শুনে মিষ্টি হাসলেন। বললেন, ‘সংবিধানই সবার ওপরে। তাই এ ব্যাপারে কোনও বাধাই শুনব না।’ বুঝিয়ে দিলেন, স্বতন্ত্র ভঙ্গিমায় তিনি তৈরি মোদি সরকারের বিরোধিতায়!
বেলা ১১ টায় লোকসভার অধিবেশন বসার পর এদিনের প্রথম কর্মসূচি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর শপথ। জয়ের শংসাপত্র হাতে সামান্য আগেই সভায় পৌঁছন তিনি। বসেন বিরোধী বেঞ্চের চতুর্থ সারিতে। লোকসভার সচিব উৎপল কুমার সিং তাঁর নাম ডাকতেই স্পিকার ওম বিড়লার পাশে রাখা পোর্ডিয়ামে গিয়ে হিন্দিতে শপথ নেন প্রিয়াঙ্কা। হাতে কালো বর্ডারে লাল মলাটের সংবিধান। শপথ শেষে স্লোগান, ‘জয় হিন্দ।’ শপথের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা হতেই কংগ্রেস সাংসদরা তোলেন স্লোগান, জোড়ো জোড়ো ভারত জোড়ো। সরকার পক্ষের বেঞ্চ চুপ। অনুপস্থিত নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। তবে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, কিরেণ রিজিজুর মতো কয়েকজন মন্ত্রী। আর লোকসভার দর্শক গ্যালারিতে সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট ওয়াধেরা, শাশুড়ি মৌরিন ওয়াধেরা, ছেলে-মেয়ে রিহান আর মিরায়া। সভার মধ্যে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সাক্ষী রইল প্রিয়াঙ্কার পুরো পরিবার। শপথ শেষে নতুন সাংসদদের তালিকার জাব্দা খাতায় প্রিয়াঙ্কা সই শেষে কংগ্রেসের বেঞ্চের দিকে যেতেই বোনকে আলিঙ্গন করলেন রাহুল। পরে সংসদের মকর দ্বারের বাইরে বোনকে নিজের মোবাইল ক্যামেরায় বন্দিও করেন। সভা থেকে বেরনোর পর এক প্রশ্নের জবাবে ‘বর্তমান’কে একান্তভাবে সোনিয়া বললেন, ‘আই অ্যাম ভেরি প্রাউড। এতদিনে স্বপ্ন সফল হল।’ প্রিয়াঙ্কা প্রতিবেদককে জানালেন, ‘খুব ভালো লাগছে। সংসদে আগেও এসেছি। তবে দর্শক হিসেবে। আজ সাংসদ। সাধারণ মানুষের কথাই তুলে ধরব সংসদে।’ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তো গত জুলাই মাসে নতুন সাংসদদের শপথ অনুষ্ঠানে একপ্রকার সতর্ক করেছিলেন, নিদিষ্ট ফরম্যাট ছাড়া কোনও আচরণ নয়। তারপরেও আপনার হাতে সংবিধানের কপি? জয় হিন্দ স্লোগান? শুনে মিষ্টি হাসলেন। বললেন, ‘সংবিধানই সবার ওপরে। তাই এ ব্যাপারে কোনও বাধাই শুনব না।’ বুঝিয়ে দিলেন, স্বতন্ত্র ভঙ্গিমায় তিনি তৈরি মোদি সরকারের বিরোধিতায়!



