নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভোট এসেছে। আবার রহস্য সৃষ্টি করছেন নীতীশ কুমার। ২০ বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেও অবসরের পথে হাঁটতে রাজি নন তিনি। জানা যাচ্ছে, দলের মাধ্যমে কৌশলে নীতীশ কুমার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে বার্তা পাঠাচেছন যে, আগামী বিধানসভা ভোটেও এনডিএ জোটের মুখ হতে চান তিনি। ফলে আগামী বিধানসভা ভোটে জয়ী হলেও বিজেপির ভাগ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি জোটার সম্ভাবনা নেই। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পদ্ম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এনিয়ে বিহারের নেতৃত্বের মধ্যে বিদ্রোহের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
Advertisement
দলের রাজ্য নেতাদের মতে, নীতীশ কুমারের সঙ্গে জোট করতে গিয়ে বারবার সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিজেপি। শাসক জোটের বৃহত্তম শরিক হলেও সরকার পরিচালনার স্বাদ পায়নি তারা। এবার ধরে নেওয়া হয়েছিল, বিহারে আবার গেরুয়া জোটের জয় হলে বিজেপি থেকে কেউ হবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই দৌড়ে এগিয়ে সম্রাট চৌধুরী। বর্তমানে তিনি উপ মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু হঠাৎ সেই আশা ফিকে হচ্ছে। কারণ, রাজ্য সরকার তো বটেই, কেন্দ্রীয় সরকারের টিকে থাকার চাবিকাঠিও এখন নীতীশ কুমারের হাতে। এরকম পরিস্থিতি কখনও আসেনি। এবার ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের পর ঠিক সেই পরিস্থিতি বিরাজমান।
নীতীশ কুমারকে সরাসরি অথবা পরোক্ষে, কোনওভাবেই বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব উপেক্ষা করতে পারছে না। কারণ বিজেপি নিজে একক গরিষ্ঠতার থেকে অনেক দূরে। সরকার গঠনের পর প্রায় ১০ মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত অন্য দল ভাঙিয়ে কোনও ‘অপারেশন লোটাস’ করা সম্ভব হয়নি। অতএব ভরসা চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতীশ কুমারই। সেটা জেনেই নীতীশ কুমার ভোটের আগে ফের সক্রিয়। তাঁর আস্তিনে এবার কী তাস? ক্রমশ প্রকাশ্য।
নীতীশ কুমারকে সরাসরি অথবা পরোক্ষে, কোনওভাবেই বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব উপেক্ষা করতে পারছে না। কারণ বিজেপি নিজে একক গরিষ্ঠতার থেকে অনেক দূরে। সরকার গঠনের পর প্রায় ১০ মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত অন্য দল ভাঙিয়ে কোনও ‘অপারেশন লোটাস’ করা সম্ভব হয়নি। অতএব ভরসা চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতীশ কুমারই। সেটা জেনেই নীতীশ কুমার ভোটের আগে ফের সক্রিয়। তাঁর আস্তিনে এবার কী তাস? ক্রমশ প্রকাশ্য।



