সংবাদদাতা, করিমপুর: সর্ষে চাষে কাণ্ড ও শুটি পচা রোগে এবারও ক্ষতির আশঙ্কায় করিমপুর-১ ব্লকের কৃষকরা। বাংলা শস্যবিমা প্রকল্পে গতবছর নষ্ট হওয়া ফসলের ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন তাঁরা। এবছর ফের একই রোগে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
Advertisement
ব্লক সহ-কৃষি অধিকর্তা মহসিন মণ্ডল বলেন, গত মরশুমে সর্ষে চাষে ক্ষতি হওয়ায় চাষিরা বিমার টাকা পেয়েছেন। ১০ হাজার ২জন ক্ষতিগ্রস্ত চাষি শস্যবিমার আবেদন জানিয়েছিলেন। ক্ষতির রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে ৯৯৮৮জন চাষিকে বিমার টাকা দেওয়া হয়। এবারও বহু চাষি আবেদন করেছেন। সর্ষে চাষে ক্ষতি হলে তদন্ত করে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে।
হোগলবেড়িয়ার চাষি উত্তম মণ্ডল বলেন, এমনিতে কয়েকবছর আগে থেকে একপ্রকার আগাছার কারণে সর্ষে উৎপাদন কমে গিয়েছে। সর্ষের ফল পরিণত না হতেই গাছ পেকে যাচ্ছে। তার উপর গতবছর থেকে এই রোগ শুরু হয়েছে। একবিঘা জমিতে চার কুইন্টাল সর্ষে ফলন হওয়ার কথা। অথচ রোগের কারণে সেই ফলন অর্ধেক হচ্ছে।
শিকারপুরের চাষি সফিকুল শেখ বলেন, গতবছর চার বিঘা জমির সর্ষে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বিমার আবেদন করে ১২ হাজার ২৩ টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়েছি। কাণ্ড ও শুটি পচা রোগের জন্য যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, অত টাকা বিমায় পাওয়া যায় না।
করিমপুর-১ ব্লক কৃষিদপ্তর জানিয়েছে, গতবছর এলাকার আটটি পঞ্চায়েতের প্রায় ২৫৯৮ হেক্টর জমির সর্ষে স্কেলোরোটিনিয়াজনিত ‘স্টেম রট’ বা কাণ্ড ও শুটি পচা রোগে আক্রান্ত হয়। এতে চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। বিমা প্রকল্পে ব্লকের ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক জানান, রবি মরশুমে ফের সর্ষে চাষ হয়েছে। গতবছরের মতো যাতে সর্ষে চাষে পচা রোগ না হয়, তার জন্য চাষের শুরুতেই চাষিদের কিছু নির্দেশিকা জানিয়ে লিফলেট দেওয়া হয়েছিল। এই রোগ থেকে বাঁচতে সর্ষে জমিতে সুষম সারের সঙ্গে সালফার, বোরন, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় অণুখাদ্য দেওয়া প্রয়োজন। বীজ বপনের ৭-১০দিন আগে প্রতি বিঘা জমিতে চার কেজি ব্লিচিং পাউডার দিলে ও তিন-চারবছর অন্তর জমিতে ৭০-৮০কেজি চুন মেশালে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।হোগলবেড়িয়ার চাষি উত্তম মণ্ডল বলেন, এমনিতে কয়েকবছর আগে থেকে একপ্রকার আগাছার কারণে সর্ষে উৎপাদন কমে গিয়েছে। সর্ষের ফল পরিণত না হতেই গাছ পেকে যাচ্ছে। তার উপর গতবছর থেকে এই রোগ শুরু হয়েছে। একবিঘা জমিতে চার কুইন্টাল সর্ষে ফলন হওয়ার কথা। অথচ রোগের কারণে সেই ফলন অর্ধেক হচ্ছে।
শিকারপুরের চাষি সফিকুল শেখ বলেন, গতবছর চার বিঘা জমির সর্ষে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বিমার আবেদন করে ১২ হাজার ২৩ টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়েছি। কাণ্ড ও শুটি পচা রোগের জন্য যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, অত টাকা বিমায় পাওয়া যায় না।
করিমপুর-১ ব্লক কৃষিদপ্তর জানিয়েছে, গতবছর এলাকার আটটি পঞ্চায়েতের প্রায় ২৫৯৮ হেক্টর জমির সর্ষে স্কেলোরোটিনিয়াজনিত ‘স্টেম রট’ বা কাণ্ড ও শুটি পচা রোগে আক্রান্ত হয়। এতে চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। বিমা প্রকল্পে ব্লকের ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল।



