নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাতবিরেতে ক্রিকেট ফাইনাল। টানটান উত্তেজনা। মাঠের চারদিকে ভিড় করে রয়েছে স্থানীয় ও আশপাশের বাসিন্দারা। তাঁরাই ম্যাচের দর্শক। কিন্তু ছন্দ কাটল মাঝপথে, যখন দু’দলের খেলোয়াড়রা পরস্পরের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। সেই রেশ গিয়ে পড়ে খেলা শেষের পর। তখন আর ঝামেলা দু’দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, দর্শকদের একাংশ জড়িয়ে পড়ে ঝঞ্ঝাটে। এক সময় বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যায় এক যুবককে। অভিযোগ, সেই বন্দুকের বাটের আঘাতে জখম হয়েছেন দীপঙ্কর পান্ডা নামের এক যুবক। শুধু তাই নয়, ওই যুবক ও তার এক সঙ্গীর বিরুদ্ধে সোনার চেন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। শনিবার মাঝরাতে হরিদেবপুরের পাড়া-ক্রিকেটে এহেন কাণ্ড দেখে থ পুলিস অফিসাররা। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে হরিদেবপুর থানা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই ওই দুই যুবককে চিহ্নিত করেছে পুলিস। তারা পলাতক।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিদেবপুর এলাকার তারামণি ঘাট রোডের পাশের মাঠে শনিবার দিন-রাতের ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। বিভিন্ন ক্লাব এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গভীর রাতে শেষ হয় ফাইনাল ম্যাচ। ফাইনালে যে দু’টি টিম উঠেছিল, তারা স্থানীয় নয়। তবে বিভিন্ন জায়গায় খেলার দৌলতে তারা পরস্পরকে চিনত। তাদের মধ্যে তিক্ততা নতুন নয়। ফলে খেলা শুরুর পর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বিবাদে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। ম্যাচ শেষ হলে বিজয়ী দলের সদস্যরা প্রতিদ্বন্দ্বী দলের খেলোয়াড়দের কটুক্তি করলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। মাঠেই শুরু হয় হাতাহাতি। চলে ইট বৃষ্টি। সেই সময় দু’দলের সমর্থকরাও ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে। গণ্ডগোল চরমে উঠলে ভয়ে মাঠ ছেড়ে পালাতে শুরু করেন দর্শকরা। ইটের আঘাতে একজনের মাথা ফেটে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ভিড়ের মধ্যে একজন বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। গুলি চালানোর হুমকি দিচ্ছিল। এক দর্শকের মাথায় বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করে সে। এই কাজে তাকে সাহায্য করে আরেক যুবক। পরিস্থিতি চরমে উঠলে স্থানীয় ক্লাবের লোকজন হরিদেবপুর থানায় খবর দেন। পুলিস আসার আগেই এলাকা ছেড়ে পালায় অভিযুক্তরা।
তদন্তে নেমে পুলিস জেনেছে, উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরনো ঝামেলা রয়েছে। এর আগেও তারা মাঠে গোলমালে জড়িয়েছে। এমনকী ‘প্রাইজ মানি’ পর্যন্ত কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। দু’পক্ষই বিভিন্ন মাঠে খেলতে গেলে সঙ্গে মস্তান বাহিনী নিয়ে যায়। ওই বাহিনীর কাছেই আগ্নেয়াস্ত্র থাকে। মাঠে কোনও সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলেই কথায় কথায় বন্দুক বের করে তারা। পুলিস সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে বন্দুকধারী যুবক ও তার সহযোগীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের নাম অন্ময় ও নীলাঞ্জন। তাদের ঠিকানায় পুলিস হানা দিলেও তাদের দেখা পায়নি। ঘটনার পর থেকেই তারা বেপাত্তা। এই দু’জনের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
তদন্তে নেমে পুলিস জেনেছে, উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরনো ঝামেলা রয়েছে। এর আগেও তারা মাঠে গোলমালে জড়িয়েছে। এমনকী ‘প্রাইজ মানি’ পর্যন্ত কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। দু’পক্ষই বিভিন্ন মাঠে খেলতে গেলে সঙ্গে মস্তান বাহিনী নিয়ে যায়। ওই বাহিনীর কাছেই আগ্নেয়াস্ত্র থাকে। মাঠে কোনও সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলেই কথায় কথায় বন্দুক বের করে তারা। পুলিস সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে বন্দুকধারী যুবক ও তার সহযোগীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের নাম অন্ময় ও নীলাঞ্জন। তাদের ঠিকানায় পুলিস হানা দিলেও তাদের দেখা পায়নি। ঘটনার পর থেকেই তারা বেপাত্তা। এই দু’জনের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।



