সংবাদদাতা, মানকর: পানাগড় শিল্পতালুকের একটি কারখানায় কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আদিবাসী মহিলাদের ছাঁটাইয়ের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। স্থানীয় আমানিডাঙ্গা গ্রামের ওই মহিলারা জানান, তাঁরা বৃহস্পতিবার কাঁকসা থানায় গিয়ে পুলিসের সঙ্গে কথা বলেছেন। এঘটনায় ব্যবস্থা না নিলে অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন। কাঁকসার এসিপি সুমনকুমার জয়সওয়াল অবশ্য বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। ওই কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
Advertisement
আমানিডাঙ্গার এক মহিলা বলেন, আমরা ওই কারখানায় বহুদিন ধরে কাজ করছি। কিন্তু কয়েকমাস ধরে সেখানকার কয়েকজন আধিকারিক আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে ও কুপ্রস্তাব দিচ্ছে। তা মেনে না নেওয়ায় আমাদের কাজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অপর এক মহিলা শ্রমিক বলেন, আমাদের রুমে নিয়ে যাওয়ার, একসঙ্গে থাকার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। আমরা এসবে রাজি না হওয়ায় ছাঁটাইয়ের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এঘটনার কথা আমরা যাতে থানায় বা অন্যত্র না জানাই, সেজন্যও হুমকি দিয়েছে।
সিপিএম নেতা আবদুর রহিম বলেন, এই ঘটনা নিন্দনীয়। ওই কারখানার এক মহিলা শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর বোনকে হাসপাতালে গিয়ে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এঘটনায় কঠোর আইন প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পশ্চিম বর্ধমানের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা এঘটনা বরদাস্ত করব না। কাঁকসা থানার পুলিস বিষয়টি দেখছে।
অপর এক মহিলা শ্রমিক বলেন, আমাদের রুমে নিয়ে যাওয়ার, একসঙ্গে থাকার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। আমরা এসবে রাজি না হওয়ায় ছাঁটাইয়ের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এঘটনার কথা আমরা যাতে থানায় বা অন্যত্র না জানাই, সেজন্যও হুমকি দিয়েছে।
সিপিএম নেতা আবদুর রহিম বলেন, এই ঘটনা নিন্দনীয়। ওই কারখানার এক মহিলা শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর বোনকে হাসপাতালে গিয়ে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এঘটনায় কঠোর আইন প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পশ্চিম বর্ধমানের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা এঘটনা বরদাস্ত করব না। কাঁকসা থানার পুলিস বিষয়টি দেখছে।



