Bartaman Logo
১১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে রইল কলকাতা, অনবদ্য ক্যাচ গ্রিনের, দুরন্ত বোলিং নারিন-দুবের

প্রথম সাতটি ম্যাচে জয়ের মুখ না দেখা কলকাতা নাইট রাইডার্স কি শেষ পর্যন্ত প্লে-অফে জায়গা করে নেবে? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে রইল কলকাতা, অনবদ্য ক্যাচ গ্রিনের, দুরন্ত বোলিং নারিন-দুবের
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুকান্ত বেরা, কলকাতা; প্রথম সাতটি ম্যাচে জয়ের মুখ না দেখা কলকাতা নাইট রাইডার্স কি শেষ পর্যন্ত প্লে-অফে জায়গা করে নেবে? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে। তবে বুধবার ইডেনে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দারুণভাবেই দৌড়ে রইল নাইট ব্রিগেড। শাহরুখ খানের দলের পয়েন্ট দাঁড়াল ১৩ ম্যাচে ১৩। পরের ম্যাচ রবিবার ইডেনেই দিল্লির বিরুদ্ধে। জিতলে রাহানেরা ১৫ পয়েন্টে পৌঁছাবেন। তারপরেও তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের দিকে। 

Advertisement

এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ৮ উইকেটে তোলে ১৪৭ রান। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে প্রথম চার ব্যাটার ডাগ-আউটে ফেরেন। রোহিত শর্মাকে ঘিরে দারুণ উন্মাদনা ছিল দর্শকদের মধ্যে। কিন্তু হিটম্যান প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। সকাল দেখেই বোঝা গিয়েছিল দিনটা মোটেও মুম্বইয়ের নয়। তৃতীয় ওভারে বল করতে এসে জোড়া ধাক্কা দেন গ্রিন। প্রথমে ফেরান রায়ান রিকেলটনকে (৬)। তারপরে তুলে নেন নমন ধীরকে (০)। সৌরভ দুবের বলে তুলে মারতে গিয়ে রোহিত (১৫) ধরা পড়েন গ্রিনের হাতে। প্রায় ৩৩ মিটার দৌড়ে অনবদ্য ক্যাচটি ধরেন কেকেআরের অজি অলরাউন্ডার। দুবের শিকার সূর্যকুমার যাদবও (১৫)। এর মধ্যে অষ্টম ওভারে ঝেঁপে নামে বৃষ্টি। এক ঘণ্টা পর শুরু হয় খেলা। একাদশ ওভারের পঞ্চম বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে প্রায় মাঠ ছাড়ার বন্দোবস্ত করে ফেলেছিলেন তিলক ভার্মা। বোলার বরুণ চক্রবর্তী ক্যাচটা তালুবন্দি করেও নেন। কিন্তু উইকেটরক্ষক রঘুংবশী দৌড়ে গিয়ে তাঁকে ধাক্কা দেওয়ায় বলটা বরুণের হাত থেকে মাটিতে পড়ে যায়। তবে জীবন পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি তিলক (২০)। শেষ দিকে চালিয়ে কিছুটা রান বাড়ান করবি  বিশ (অপরাজিত ৩২)।
জবাবে নাইট রাইডার্সের শুরুটা ভালো হয়নি। ফিন অ্যালেন আউট হন ৮ রানে। ব্যর্থ রাহানেও (২১)। তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন গ্রিন (৪)। রঘুবংশী চোট পাওয়ায় তিন নম্বরে নামানো হয় মণীশ পাণ্ডেকে। এবারের আইপিএলে প্রথমবার ব্যাটিংয়ের সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগালেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে পাওয়েলের সঙ্গে জুটি বেঁধে জয়ের শক্ত ভিত গড়েন মণীশ (৪৫)। তবে ১২ রানে বাউন্ডারি লাইনে পাওয়েলের ক্যাচটা যদি চাহার ও মিনজের ভুল বোঝাবুঝির কারণে না পড়ত, তাহলে বদলেও যেতে পারত ম্যাচের রং। সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাওয়েল করেন ৪০ রান। এই পর্বে তিন বলের মধ্যে দু’উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে কেকেআর। তবে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ৭ বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় কেকেআর (১৪৮-৬)। তেজস্বী দাহিয়া করেন ১১। রিঙ্কু সিং ৯ রানে অপরাজিত থাকেন। এই জয় শুধু প্লে-অফে ওঠার লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখল না নাইটদের, একই সঙ্গে ওয়াংখেড়েতে হারের বদলাও হল পূর্ণ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ