Bartaman Logo
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পিটিএসের শৌচালয়ে আত্মহত্যা কলকাতা পুলিশের কমান্ডোর

সাতসকালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের (পিটিএস) চাঞ্চল্যকর ঘটনা। শৌচালয়ের ভিতর থেকে কলকাতা পুলিশের এক কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। মৃতের নাম দীপক তামাং (৪৯)।

পিটিএসের শৌচালয়ে আত্মহত্যা কলকাতা পুলিশের কমান্ডোর
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাতসকালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের (পিটিএস) চাঞ্চল্যকর ঘটনা। শৌচালয়ের ভিতর থেকে কলকাতা পুলিশের এক কমান্ডোর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। মৃতের নাম দীপক তামাং (৪৯)। অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার ওই কমান্ডো কালিম্পংয়ের  বাসিন্দা। পিটিএসের কমান্ডো বারাকে থাকতেন তিনি। শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ শৌচালয়ের দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন বারাকের অন্যান্য পুলিশকর্মী। এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে আলিপুর থানার পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কমান্ডো। মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে লালবাজার।

Advertisement

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে কমান্ডো বারাকে থাকতেন দীপক। এদিন সকাল থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। সহকর্মীরা নানা জায়গায় খোঁজ করতে গিয়ে দেখেন শৌচালয়ের দরজা দীর্ঘক্ষণ ভিতর থেকে বন্ধ। বেশ কিছুক্ষণ ধাক্কা দিলেও দরজা কেউ না খোলায় সন্দেহ হয়। তাঁরাই দরজা ভাঙেন। দেখা যায়, শৌচালয়ের মধ্যে একটি লোহার রড থেকে ঝুলছেন দীপক। গলায় গামছা পেঁচানো। দ্রুত কমান্ডো শাখার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আলিপুর থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল ভালোভাবে পরীক্ষা করা হয়। একই সঙ্গে দীপকের থাকার জায়গাটিও খতিয়ে দেখে পুলিশ। তবে ঘটনাস্থল বা থাকার জায়গা থেকে কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। কী কারণে তাঁর এই পদক্ষেপ? তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মৃতের পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জানা গিয়েছে, পারিবারিক কোনো বিবাদের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন দীপক। অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সেই কারণেই আত্মহত্যা বলে অনুমান তদন্তকারীদের। লালবাজার জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো রহস্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরিবারের তরফেও কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি থানায়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ