Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আয়ুষ্মান ভারতের আবেদন যাচাইয়ে পিছিয়ে কলকাতা, কাজ শেষ দক্ষিণ ২৪ পরগনায়

আয়ুষ্মান ভারতের আবেদন যাচাইয়ের পাশাপাশি গোটা রাজ্যেই ই-কেওয়াইসির কাজ চলছে জোরকদমে। এই কাজের অগ্রগতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানা গিয়েছে, একমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদন যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

আয়ুষ্মান ভারতের আবেদন যাচাইয়ে পিছিয়ে কলকাতা, কাজ শেষ দক্ষিণ ২৪ পরগনায়
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আয়ুষ্মান ভারতের আবেদন যাচাইয়ের পাশাপাশি গোটা রাজ্যেই ই-কেওয়াইসির কাজ চলছে জোরকদমে। এই কাজের অগ্রগতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানা গিয়েছে, একমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদন যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। অন্যান্য জেলা এই কাজ এখনও শেষই করতে পারেনি। অনেকটাই পিছিয়ে কলকাতা। মহানগরে এখনও একটা বড়ো সংখ্যক আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করা বাকি। বুধবার রাতে জেলাগুলির কাছে স্বাস্থ্যদপ্তরের যে রিপোর্ট  এসেছে, তা থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আগামী ১৬ আগস্ট উপভোক্তাদের হাতে ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর কার্ড তুলে দেওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তার আগে যতটা সম্ভব আবেদন যাচাই এবং ই-কেওয়াইসি করানোর কাজ শেষ করতে মরিয়া জেলাগুলি। স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ছ’কোটি আবেদন যাচাই করা হচ্ছে। তার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ৫৯ লক্ষ ৭৫ হাজার ৭৭৬ জনের তথ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই জেলায় সব আবেদনকারীর তথ্য বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের কাজ শেষ করে ফেলেছেন ফিল্ড লেভেল আধিকারিকরা। এখন জোর দেওয়া হয়েছে ই-কেওয়াইসিতে। কলকাতার ক্ষেত্রে ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯৩৫ জনের মধ্যে চার লক্ষের মতো আবেদন যাচাই করা সম্ভব হয়েছে। অর্থাৎ এখনও প্রচুর কাজ বাকি। কলকাতা পুরসভার সূত্রে খবর, আশাকর্মীর সংখ্যা অত্যন্ত কম। যা প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। তাই ভেরিফিকেশন বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই এবং আবেদনপত্র পূরণের কাজ দ্রুত করা যাচ্ছে না। তবে এই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকরা নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে, সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত যা কাজ এগিয়েছে, তাতে সাড়ে ৮০ লক্ষের বেশি কার্ড তৈরি করা যেতে পারে। এই নিরিখেও এগিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই জেলায় প্রায় পাঁচ লক্ষের মতো কার্ড ছাপার জন্য তৈরি। এদিকে, যাচাই পর্বে এখনও পর্যন্ত ৯০ হাজারের মতো আবেদন অযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ