Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

কেন্দ্রের নয়া আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ, ৪ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে হবে শুনানি

কেন্দ্রের নয়া আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ, ৪ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে হবে শুনানি
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নয়াদিল্লি (পিটিআই): মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) বাছাইয়ের কমিটি গঠন ঘিরে সংঘাত। সম্মুখ সমরে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ও সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশকে পাশ কাটিয়ে নতুন আইন তৈরি করেছে কেন্দ্র। তিন সদস্যের কমিটি থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে দেশের প্রধান বিচারপতিকে। ২০২৩ সালের ওই আইন মোতাবেক, নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি থাকবেন আরও একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে সরকারের আরও এক প্রতিনিধিকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের রাশ পুরোপুরি সরকারের হাতে চলে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে মোদি সরকারের তৈরি ওই আইনের বৈধতাকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পেশ হয়েছে একাধিক আবেদন। সেই আবেদনগুলি আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শোনা হবে বলে বুধবার জানাল শীর্ষ আদালত। এই ইস্যুতে এদিন সুপ্রিম কোর্টের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, সংবিধানের ১৪১ ধারায় আদালতের অভিমত বনাম আইন প্রণয়নের সংসদীয় ক্ষমতার লড়াই হতে চলেছে।
Advertisement
কেন্দ্রের আইনকে চ্যালেঞ্জ জানানো একটি এনজিওর পক্ষে এদিন সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। বিচারপতি সূর্য কান্ত, দীপঙ্কর দত্ত ও উজ্জ্বল ভুয়ানের বেঞ্চে এদিন তিনি জানান, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব শেষ হচ্ছে রাজীব কুমারের। তাঁর পরিবর্ত বাছাই হতে চলেছে কেন্দ্রের তৈরি নয়া আইনে। এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ দরকার। ভূষণ আরও বলেন, ২০২৩ সালের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, নির্বাচন কমিশনারদের বাছাইয়ের কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার সঙ্গে প্রধান বিচারপতিও থাকবেন। তাঁকে সরানো যাবে না। যদিও ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্র নতুন আইন তৈরি করে প্রধান বিচারপতিকে কমিটি থেকে ছেঁটে দেয়। কেন্দ্রের এই আইন সুপ্রিম কোর্টের অভিমতের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।   
সম্পর্কিত সংবাদ