নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষিত হয়, এমন বড় কোনও ঘোষণা নেই। বরং কেন্দ্র যে চারটি শ্রম কোড চালু করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, তা বাস্তবে শ্রমিক বিরোধী। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সপ্তাহব্যাপী আন্দোলনে নামলেন শ্রমিকরা। ১১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই আন্দোলন চলেছে রবিবার পর্যন্ত। সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠন এআইইউটিইউসির তরফে চটকল এবং শিল্পাঞ্চলে প্রতিদিনই বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।
Advertisement
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও) কেন্দ্রীয় অছি পরিষদের প্রাক্তন সদস্য দিলীপ ভট্টাচার্য বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সবচেয়ে বেশি বঞ্চনা করছে শ্রমিক ও বয়স্ক নাগরিকদের সঙ্গে। পিএফে এক হাজার টাকা ন্যূনতম পেনশনের অঙ্ক তারা দীর্ঘ আন্দোলনের পরও বাড়ায়নি। তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। আমাদের দাবি ছিল, তা মাসিক ন’হাজার টাকা করা হোক। এমনকী ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে মূল্যসূচক প্রকাশ করে তারা, সময়মতো তা প্রকাশ করতেও তাদের প্রবল অনীহা।
দিলীপবাবু জানান, কেন্দ্রের এই বঞ্চনার সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে চটকল শ্রমিকদের অপ্রাপ্তি। এখানে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির পরও একবছরেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ীকরণের দাবি মানছে না মালিক পক্ষ। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মীদের গ্র্যাচুইটির টাকা মিলছে না। রাজ্য সরকারও এর কোনও প্রতিকার করছে না, বলে অভিযোগ করেন দিলীপবাবু। বহু কর্মীর সামাজিক সুরক্ষার নামগন্ধ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। এরই প্রতিবাদে সপ্তাহজুড়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন তাঁরা।
দিলীপবাবু জানান, কেন্দ্রের এই বঞ্চনার সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে চটকল শ্রমিকদের অপ্রাপ্তি। এখানে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির পরও একবছরেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ীকরণের দাবি মানছে না মালিক পক্ষ। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মীদের গ্র্যাচুইটির টাকা মিলছে না। রাজ্য সরকারও এর কোনও প্রতিকার করছে না, বলে অভিযোগ করেন দিলীপবাবু। বহু কর্মীর সামাজিক সুরক্ষার নামগন্ধ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। এরই প্রতিবাদে সপ্তাহজুড়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন তাঁরা।



