Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

কেন্দ্র বান্দ্রা পশ্চিম: হ্যাটট্রিকই লক্ষ্য পদ্মপার্টির, লোকসভা ভোটের ফল ভরসা দিচ্ছে হাত শিবিরকে

কেন্দ্র বান্দ্রা পশ্চিম: হ্যাটট্রিকই লক্ষ্য পদ্মপার্টির, লোকসভা ভোটের ফল ভরসা দিচ্ছে হাত শিবিরকে
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
মুম্বই: মারাঠাভূমে ভোটের লড়াই। দিনরাত এক করে ফেলছেন প্রার্থীরা। লোকসভা ভোটের ফল কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছে শাসক বিজেপি জোট মহাযুতি শিবিরে। উজ্জীবিত বিরোধী এমভিএ জোট। বিধানসভা ভোটে বহু আসনেই সুতোর উপর ঝুলছে প্রার্থীদের ভাগ্য। বান্দ্রা পশ্চিম তেমনই একটি আসন। সিনে তারকাদের পেল্লায় সব ঘরবাড়ির পাশাপাশি এখানে রয়েছে সান্তাক্রুজ ও খারের মতো মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত এলাকা। একটা সময় এই আসন কংগ্রেসের দূর্গ হিসেবেই পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ভোটে হাত শিবিরের কাছ থেকে এই আসন ছিনিয়ে নেয় বিজেপি। দলের মুম্বই সভাপতি তথা হাই-প্রোফাইল নেতা আশিস সেলার বান্দ্রা পশ্চিমে প্রথম পদ্মফুল ফুটিয়েছিলেন। এবার হ্যাটট্রিকের হাতছানি পদ্মপার্টির প্রার্থীর সামনে। উল্টোদিকে, গড় ফেরাতে সেই আসিফ জাকারিয়ার উপরই বাজি ধরেছে কংগ্রেস। তিন বারের পুরপ্রতিনিধি আসিফ এলাকায় সৎ ও সজ্জন বলেই পরিচিত। ২০১৯ সালের বিধানসভা ভোটে অবশ্য আসিফকেই ২৬ হাজার ৫০৭ ভোটে হারিয়ে ছিলেন সেলার।  কিন্তু এবারের লোকসভা ভোটের ফল ভরসা দিচ্ছে কংগ্রেসকে। মুম্বই উত্তর-মধ্য আসনের জয়ী প্রার্থী কংগ্রেসের বর্ষা গায়কোয়াড় বান্দ্রা পশ্চিমে সাড়ে তিন হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়ায় ভর করে সেলারের জয়রথ থামাতে বদ্ধপরিকর আসিফ। 
Advertisement
বান্দ্রা পশ্চিম আসনে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৫৭। এরমধ্যে মহিলা ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ২০৪। শাহরুখ খান ও সলমন খানের মতো বলিউড তারকাদের  বাড়ি এখানেই। প্রিয় অভিনেতাদের এক ঝলক দর্শন পেতে এখানে সারা বছর ভিড় ঩লেগেই থাকে। বান্দ্রা পশ্চিম ও খারের এই গ্ল্যামার ঝলসানো অভিজাত মহল্লার পাশাপাশি এখানে রয়েছে হতদরিদ্র বস্তি। আর সান্তাক্রুজের মধ্যবিত্ত এলাকা। এমনই মিশ্র এলাকায় মৌলিক পরিষেবায় খামতির মতো সমস্যা এবারও ভোটের ইস্যু। খার ডান্ডের মতো ঘনবসতি এলাকায় থমকে রয়েছে বস্তি উন্নয়নের কাজ। আর এই সব এলাকাতেই বসবাস মৎস্যজীবীদের। কাজেই স্থানীয় উন্নয়নের ইস্যু এবারের ভোটেও ছায়া ফেলেছে।  আশিস সেলার শাসক দলের দাপুটে নেতা। সমর্থকদের দাবি, বান্দ্রার হারানো গৌরব ফিরিয়ে এনেছেন সেলার। এই সৌন্দর্যায়ন ও উন্নয়নের হাত ধরেই এখানে সম্পত্তির দাম বেড়েছে। বস্তি উন্নয়ন, রাস্তা নির্মাণ, বাজারের হাল ফেরানোর কাজ হয়েছে সেলারের হাত ধরেই। যদিও বিরোধীরা বিজেপির এই উন্নয়নের দাবি মানতে নারাজ। তাদের বক্তব্য, সৌন্দর্যায়নের নামে বেশ কিছু কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। এলাকার পরিস্থিতি সেই তিমিরেই। মাঝখানে সরকারের টাকার অপব্যয় হয়েছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ