নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী সংসদে এলেও সদনে প্রবেশ না করায় মঙ্গলবারও ক্ষোভ প্রকাশ করল কংগ্রেস ও তৃণমূল। এদিন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, নরেন্দ্র মোদি ভয় পেয়েছেন। তাই বিরোধীদের তোলা ইস্যুর মুখোমুখি হতে পারছেন না। তাঁর প্রশ্ন, ‘সংসদ চলছে। ১২ দিন পারও হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী কেন সভার অন্দরে আসছেন না? এ তো তাজ্জব ব্যাপার! সরকার পক্ষই যেভাবে সংসদ অচল করছে, তাতেই স্পষ্ট সভা চালাতে চায় না। মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতির মতো ইস্যুর কোনও জবাব দিতে চায় না সরকার।’ বলেন, সরকার নিজেই সভা চালাতে ব্যর্থ। আর দোষারোপ করা হচ্ছে বিরোধীদের। অধিবেশন বসে বেলা ১১ টায়। আর আমরা তো সকাল সাড়ে দশটা থেকে ১১ টা পর্যন্ত সভার বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়ে সভায় প্রবেশ করে যাই। তাহলে সরকারের কীসের আপত্তি? আসলে দুর্নীতির ইস্যুতে যেভাবে সরকার ফেঁসে রয়েছে, তার আলোচনা এড়াতেই সভা চলতে দিচ্ছে না।
Advertisement
একইরকম আক্রমণাত্মক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপিকে লক্ষ্য করে দলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের চাঁচাছোলা মন্তব্য, কিরেন রিজিজু থেকে জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাই সভা অচল করতে উস্কাচ্ছেন। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বিজেপিই সভা উত্তাল করছে। মুলতুবি হয়ে যাচ্ছে। তবে সরকার যতই পালাক, বাংলার বঞ্চনা, মূল্যবৃদ্ধি সহ সারের দাম ইত্যাদি ইস্যুতে আমরা সরব হবই। সরকারকে জবাব দিতেই হবে।
বলেন, তামঝাম করে প্রধানমন্ত্রী সংসদে আসছেন, কিন্তু সভার
অন্দরে কেন আসছেন না? সংসদে নিজের কক্ষে বসে আছেন। সভায় আসছেন না কেন? ডেরেক আরও বলেন, বাংলার ইস্যুতে জবাব দিতে ভয় পাচ্ছে সরকার। তাই নিজেরাই সভা ভণ্ডুল করছে। সাহস থাকলে সভায় আসুন প্রধানমন্ত্রী। দশ বছরের বেশি হয়ে গেল সংসদে আজ পর্যন্ত একটি মৌখিক প্রশ্নের কেন উত্তর দেননি মোদি?
বলেন, তামঝাম করে প্রধানমন্ত্রী সংসদে আসছেন, কিন্তু সভার
অন্দরে কেন আসছেন না? সংসদে নিজের কক্ষে বসে আছেন। সভায় আসছেন না কেন? ডেরেক আরও বলেন, বাংলার ইস্যুতে জবাব দিতে ভয় পাচ্ছে সরকার। তাই নিজেরাই সভা ভণ্ডুল করছে। সাহস থাকলে সভায় আসুন প্রধানমন্ত্রী। দশ বছরের বেশি হয়ে গেল সংসদে আজ পর্যন্ত একটি মৌখিক প্রশ্নের কেন উত্তর দেননি মোদি?
আদানি ইস্যুতে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ ইন্ডিয়া শিবিরের সাংসদরা। সোমবার পিটিআইয়ের তোলা ছবি।



