নয়াদিল্লি: শীতের শাকসব্জি বাজারে এসেছে। এজন্য কমেছে দাম। এর হাত ধরে গত নভেম্বরে কিছুটা মাথা নামাল খুচরো মুদ্রাস্ফীতি। এর আগের মাসে অক্টোবরে মুল্যবৃদ্ধি ৬.২১ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। যা ছিল গত ১৪ মাসে সর্বোচ্চ। মূলত সব্জির চড়া দামের কারণেই তা রিজার্ভ ব্যঙ্ক নির্ধারিত সহনশীলতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এই হার যে কিছুটা কমবে তার পূর্বাভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল। বাস্তবেও তা মিলল। নভেম্বরে মুল্যবৃদ্ধি কিছুটা কমে হয়েছে ৫.৪৮ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান কিছুটা স্বস্তি দিলেও কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া করেছে শিল্প উৎপাদনের হার। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শিল্প উৎপাদনের হার গত অক্টোবরে কমে হয়েছে ৩.৫ শতাংশ। খনি, বিদ্যুৎ ও উৎপাদন ক্ষেত্রের দুর্বল পারফরম্যান্সের জেরেই এই হার গত বছরের এই সময় পর্বের তুলনায় কমেছে। গত সপ্তাহেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মানিটারি পলিসি কমিটি (এমপিসি) চলতি অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৬ শতাংশ করেছিল। সেইসঙ্গে মুদ্রাস্ফীতির অনুমানও সংশোধন করা হয়েছিল। এই পূর্বাভাস ৪.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৪.৮ শতাংশ। মূল্যবৃদ্ধির এই চোখরাঙানি সত্ত্বেও এই চাপ কিছুটা কমলে রেপো রেট হ্রাসের দরজাও খোলা রেখেছে কমিটি। খাদ্য মুল্যবৃদ্ধি কম হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ফিকির নবনিযুক্ত সভাপতি হর্ষ ভি আগরওয়াল। কারণ, এরফলে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেছেন, আগামী দুটি ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি স্বাভাবিক স্তরে নেমে আসবে বলেই আশা করা হচ্ছে।



