কমেডি ঘরানা
‘ধুম ধাম’ ছবিতে কমেডিকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করলেন প্রতীক। তাঁর কথায়, ‘এই ধরনের কমেডি ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ প্রথম পেলাম। আঞ্চলিক ছবিতেও আমি এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। তাই আমার জন্য এটা নতুন অভিজ্ঞতা। মঞ্চে অবশ্য কিছুটা এই ঘরানার কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।’ চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের খোঁজে থাকেন প্রতীক। নতুন কিছু করার সুযোগ থাকলে তবেই চিত্রনাট্য নির্বাচন করেন। এই ছবিও তার ব্যতিক্রম নয়।
কঠিন কাজ
অভিনয়ের নানা ধারার মধ্যে কমেডিকেই সবচেয়ে শক্ত বলে মনে করেন বহু অভিনেতা। প্রতীকের মত, ‘কমেডির অনেক ধারা রয়েছে। কমেডি ভিন্ন স্বাদের হতে পারে। ‘মাডগাঁও এক্সপ্রেস’ এবং ‘দো অউর দো প্যায়ার’ ছবিতে যে ধরনের কমেডি করেছিলাম, ‘ধুম ধাম’-এ তার থেকে আলাদা। আমি সেটাই চেয়েছিলাম। কমেডির মধ্যে এত রস, রূপ রয়েছে, তার প্রতিটার খোঁজ পাওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। তাই আমার মতেও কমেডি সবচেয়ে কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং ঘরানা।’
টার্নিং পয়েন্ট
প্রতীক মনে করেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক দেরিতে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। তাই এই পথ দ্রুত অতিক্রম করতে চান তিনি। তাঁর কথায়, ‘২০০৪ সাল থেকে সিনেমাতে একটা সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। এভাবে ১৬ বছর পার করে ফেলেছিলাম। এরপর ‘স্ক্যাম ১৯৯২’-এ সুযোগ পেলাম। এই সিরিজের পর আমার জীবন কিছুটা বদলে যায়। মানুষ আমার প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করেন। অভিনেতা হিসেবে আমার কদর বাড়ে। আমার কাছে ভালো ভালো প্রস্তাব আসতে শুরু করে। তবে আমি এখনও নিয়মিত মঞ্চে অভিনয় করি। ব্যস্ততার মাঝেও মঞ্চে কাজ করা বন্ধ করিনি। আমি আমার জার্নি একটু দেরিতে শুরু করেছি, তাই ভিতর থেকে এক তাগিদ অনুভব করি যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভালো ভালো কাজ আমাকে করতে হবে’।
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই