নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সাইবার অপরাধীদের নয়া টার্গেট প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভ মেলা। মহাকুম্ভের টানে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় হচ্ছে সাগর সঙ্গমে। হোটেল, লজ, কটেজের বিপুল চাহিদা। হোটেল বুক করতে প্রতি মুহূর্তে গুগল সার্চ করছেন অনেকে। আর এখানেই প্রতারণার ফাঁদ পেতে রেখেছে সাইবার অপরাধীরা। প্রয়াগরাজ ও মহাকুম্ভ মেলার নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে মানুষ ঠকিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সাইবার গ্যাং। তমলুক শহরের পদুমবসানে থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিক রণবিজয় চৌধুরী ওই ফাঁদে পা দিয়ে ২০হাজার টাকা খুইয়েছেন। তাঁর বাড়ি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে। কর্মসূত্রে তমলুক শহরে ১১নম্বর ওয়ার্ডে পদুমবসানে থাকেন। মহাকুম্ভ মেলায় কটেজ বুকিং করে প্রতারিত হওয়ার পর রণবিজয়বাবু তমলুক থানায় এফআইআর করেছেন।
Advertisement
তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, কুম্ভমেলায় অনলাইনে কটেজ বুক করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি প্রতারিত হয়েছেন। অভিযোগ হওয়ার পর আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।
রণবিজয়বাবু বলেন, ১৯জানুয়ারি প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভবেলায় কটেজ বুক করার জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করি। মহাকুম্ভ নাম দিয়ে ওয়েবসাইট সার্চ করে আমি ওই কটেজের হদিশ পাই। তাতে ফোন নম্বর এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর ছিল। ওই ফোন নম্বরেও যোগাযোগ হয়। অনলাইনে টাকা পেমেন্ট করার পর ফোন নম্বর বন্ধ। তখনই বুঝতে পারি, এটি ভুয়ো ওয়েবসাইট। তারপর ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টালে অনলাইন অভিযোগ করার পর তমলুক থানায় এফআইআর করেছি।
গত ১৬জানুয়ারি মহিষাদল থানার গেঁওখালির নারায়ণচন্দ্র প্রামাণিক মহাকুম্ভ থেকে ফেরার থেকে অভিনব কায়দায় ট্রেনে সাইবার প্রতারণার শিকার হন। ওই ট্রেনে একই কামরায় সাঁইথিয়ার তিন যুবক ছিলেন। ট্রেনের মধ্যে উভয়ের মধ্যে আলাপ হয়। এই অবস্থায় ট্রেনে মোবাইল চার্জ দেওয়ার সময় নারায়ণবাবু টয়লেটে যান। চার্জিং পয়েন্টে মোবাইল থাকার বিষয়টি তিনজনকে জানিয়ে যান। টয়লেট থেকে ফিরে নারায়ণবাবু দেখেন, মোবাইল নেই। তিন যুবকেরও কোনও হদিশ নেই। এরপর নারায়ণবাবু মেচেদায় নেমে এটিএমে টাকা তুলতে গিয়ে দেখেন, ৫০হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তৎক্ষণাৎ তমলুক সাইবার ক্রাইম থানায় যান। ওই থানার এএসআই কিংশুক পাইনের হস্তক্ষেপে ৩৯হাজার ৫০০টাকা ফেরত পান নারায়ণবাবু।
এই মুহূর্তে মহাকুম্ভ ও প্রয়াগরাজের নামে একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। তার বেশকিছু ভুয়ো। মহাকুম্ভ মেলায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় হচ্ছে। পুণ্যস্নানের জন্য এই ভিড়কে হাতিয়ার করে সাইবার অপরাধীরা সক্রিয় হয়েছে। হোটেল, লজ, গেস্টহাউস বুক করার নামে মানুষ ঠকানো হচ্ছে। পাঁশকুড়া এবং কাঁথিতেও এরকম দু’জন ঠকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তাই মহাকুম্ভ মেলায় হোটেল বুকিংয়ের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। তা না হলে মোটা টাকা বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তমলুক সাইবার ক্রাইম থানার আইসি দেবাশিস ঘোষ বলেন, হোটেল, গেস্ট হাউস বুক করার সময় ওয়েবসাইট সঠিক কি না সেটা যাচাই করা জরুরি। তা না হলে সাইবার প্রতারণা ঘটতে পারে।
রণবিজয়বাবু বলেন, ১৯জানুয়ারি প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভবেলায় কটেজ বুক করার জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করি। মহাকুম্ভ নাম দিয়ে ওয়েবসাইট সার্চ করে আমি ওই কটেজের হদিশ পাই। তাতে ফোন নম্বর এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর ছিল। ওই ফোন নম্বরেও যোগাযোগ হয়। অনলাইনে টাকা পেমেন্ট করার পর ফোন নম্বর বন্ধ। তখনই বুঝতে পারি, এটি ভুয়ো ওয়েবসাইট। তারপর ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টালে অনলাইন অভিযোগ করার পর তমলুক থানায় এফআইআর করেছি।
গত ১৬জানুয়ারি মহিষাদল থানার গেঁওখালির নারায়ণচন্দ্র প্রামাণিক মহাকুম্ভ থেকে ফেরার থেকে অভিনব কায়দায় ট্রেনে সাইবার প্রতারণার শিকার হন। ওই ট্রেনে একই কামরায় সাঁইথিয়ার তিন যুবক ছিলেন। ট্রেনের মধ্যে উভয়ের মধ্যে আলাপ হয়। এই অবস্থায় ট্রেনে মোবাইল চার্জ দেওয়ার সময় নারায়ণবাবু টয়লেটে যান। চার্জিং পয়েন্টে মোবাইল থাকার বিষয়টি তিনজনকে জানিয়ে যান। টয়লেট থেকে ফিরে নারায়ণবাবু দেখেন, মোবাইল নেই। তিন যুবকেরও কোনও হদিশ নেই। এরপর নারায়ণবাবু মেচেদায় নেমে এটিএমে টাকা তুলতে গিয়ে দেখেন, ৫০হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তৎক্ষণাৎ তমলুক সাইবার ক্রাইম থানায় যান। ওই থানার এএসআই কিংশুক পাইনের হস্তক্ষেপে ৩৯হাজার ৫০০টাকা ফেরত পান নারায়ণবাবু।
এই মুহূর্তে মহাকুম্ভ ও প্রয়াগরাজের নামে একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। তার বেশকিছু ভুয়ো। মহাকুম্ভ মেলায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় হচ্ছে। পুণ্যস্নানের জন্য এই ভিড়কে হাতিয়ার করে সাইবার অপরাধীরা সক্রিয় হয়েছে। হোটেল, লজ, গেস্টহাউস বুক করার নামে মানুষ ঠকানো হচ্ছে। পাঁশকুড়া এবং কাঁথিতেও এরকম দু’জন ঠকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তাই মহাকুম্ভ মেলায় হোটেল বুকিংয়ের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। তা না হলে মোটা টাকা বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তমলুক সাইবার ক্রাইম থানার আইসি দেবাশিস ঘোষ বলেন, হোটেল, গেস্ট হাউস বুক করার সময় ওয়েবসাইট সঠিক কি না সেটা যাচাই করা জরুরি। তা না হলে সাইবার প্রতারণা ঘটতে পারে।



