সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: একটি মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে কিছুদিন ধরে দুই পাড়ার মধ্যে গণ্ডগোল চলছিল। তার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতিও হয়। শনিবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় কুলপির রামকিশোর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালীতলা এলাকার বাসিন্দা কুণাল আড্ডির মৃত্যু হয়। এরপরই পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল অমিত আড্ডি ও সহদেব দোলই। রবিবার ধৃতদের ডায়মন্ডহারবার আদালতে তোলা হলে বিচারক আটদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
অন্যদিকে, কুলপির গাজিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য নুরুদ্দিন হালদারের খুনের ঘটনায় পুলিস মূল অভিযুক্ত সহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হল আশাদুল হালদার ও তৈমুর নাইয়া। প্রসঙ্গত, ৮ ডিসেম্বর মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এছাড়াও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস প্রথমে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। শনিবার বসিরহাট থেকে মূল অভিযুক্ত সহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের রবিবার ডায়মন্ডহারবার আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, নুরুদ্দিন হত্যায় অভিযুক্ত তৈমুর নাইয়া চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা, সঞ্চালক তথা জামালপুর গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী।



