Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কালনা হিন্দু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১২৫তম বর্ষের উদযাপনের সূচনা

কালনা হিন্দু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১২৫তম বর্ষের উদযাপনের সূচনা
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কালনা: পরাধীন ভারতে নারী শিক্ষার প্রসারে ১৯০১ সালে কালনা শহরে গড়ে ওঠে হিন্দু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২০২৬ সালে এই বিদ্যালয়ের ১২৫তম জয়ন্তী বর্ষ পালন করা হবে। সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে শুক্রবার আলপনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে প্রাক ১২৫তম বর্ষ উদ্‌যাপনের সূচনা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সভাপতি শান্তি সাহা, প্রধান শিক্ষিকা ফাল্গুনী মল্লিক প্রমুখ। এদিন আলপনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেয়। সারা বছর ধরে চলবে নানা কালচারাল ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান।
Advertisement
পরাধীন দেশে কালনা মহকুমায় নারী শিক্ষার তেমন সুযোগ ছিল না। তৎকালীন শশিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়, দুর্গাপ্রসাদ ঘোষদের মতো মহান ব্যক্তিরা হিন্দু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করে নারী শিক্ষার অগ্রগতি করেন। ক্রমবর্ধমান শিক্ষার উন্নতির কারণে এই বিদ্যালয় খুব অল্প সময়ে খ্যাতি লাভ করে। স্বাধীনতার পর আরও বিদ্যালয় গড়ে উঠলেও হিন্দু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষিকা শান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের দক্ষ পরিচালনায় স্কুলের উন্নতি সকলের কাছে সুনাম কুড়ায়। আজ স্কুলে সায়েন্স, বায়োলজি বিভাগ সহ লাইব্রেরির সুবিধা রয়েছে। পড়ুয়াদের আত্মরক্ষায় ক্যারাটে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসে কুচকাওয়াজে অংশ নেয় স্কুলের ছাত্রীরা। ২০২৫ সালজুড়ে প্রাক উদ্‌যাপন বর্ষ পালন করবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে শুক্রবার স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে আলপনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে তার প্রাথমিক সূচনা হয়। এদিন স্কুলের সহ প্রধান শিক্ষিকা দেবীকা ভৌমিক মোহন্ত, নিবেদিতা মণ্ডল সহ অন্যান্য শিক্ষিকাদের প্রয়াসে সভাকক্ষ সহ বিদ্যালয়ের গেট চত্বর আলপনায় ভরিয়ে তোলে ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ে বর্তমানে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৭০০জন। 
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফাল্গুনী মল্লিক বলেন, ২০২৬ সাল আমাদের ১২৫তম জয়ন্তী বর্ষ। শুক্রবার মেয়েদের আলপনা, অঙ্কন প্রতিযোগিতার ম঩ধ্যে দিয়ে উদ্‌যাপনের সূচনা হয়। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের বিশেষ র‌্যালি শহর পরিক্রমা করবে। মেয়েদের আলপনা ও অঙ্কন সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে প্রদর্শনের জন্য রাখা থাকবে। বিদ্যালয়ের আজকের উন্নতির জন্য অতীতের সমস্ত শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষিকাদের কাছে আমরা দায়বদ্ধ ও কৃতজ্ঞ।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ