নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১১০ বছর আগে কলকাতাতেই প্রথম বিজ্ঞান কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এই কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞান কংগ্রেসই এখন বন্ধ করে দিয়েছে। অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের। এমনকী বন্ধ হয়ে গিয়েছে শিশু বিজ্ঞান কংগ্রেসও। ফলে তরুণ বিজ্ঞানীদের তুলে ধরার জায়গা আর নেই। বিজ্ঞানকর্মীরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছেন, কিন্তু লাভ হয়নি। এই আবহেই কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সারা ভারত জনবিজ্ঞান নেটওয়ার্ক আয়োজিত অষ্টাদশ জনবিজ্ঞান কংগ্রেস। এখান থেকে বিজ্ঞানের প্রসার এবং তরুণ বিজ্ঞানীদের কাজকর্ম দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার বিকল্প প্রয়াস গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এই জনবিজ্ঞান কংগ্রেস শুরু হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর, চলবে আজ (সোমবার) পর্যন্ত। কলকাতার বেলগাছিয়ায় পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মত্স্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচিকে ঘিরে বসেছে আচার্য প্রফুল্ল রায় বিজ্ঞান মেলা, অধিবেশন, ডগ শো, পুষ্প প্রদর্শনী, টেলিস্কোপে আকাশ দেখা, হ্যাম রেডিও সহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ, ফোরাম ফর সায়েন্টিস্টস, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস ও বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতি এই কংগ্রেসের আহ্বায়ক। ২৫টি রাজ্যের ৫৫০ জন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সম্পাদক প্রদীপ মহাপাত্র বলেন, ‘দু’বছর ধরে বিজ্ঞান কংগ্রেস বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র। কিন্তু কেন? কেউ জানে না। দেশের বিজ্ঞান গবেষণাকে ত্বরান্বিত করাই বিজ্ঞান কংগ্রেসের কাজ। এখন তরুণ বিজ্ঞানীরা যাবেন কোথায়? শিশু বিজ্ঞান কংগ্রেসও বন্ধ। আমরা তো আর সরকারের মতো অত বড় মাপের কিছু করতে পারি না। আমাদের সংগঠনের কাজ, সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈজ্ঞানিক চিন্তাচেতনা জাগানো। সেই প্রচেষ্টাই করা হচ্ছে।’
দেশজুড়ে ৪০টির বেশি সংগঠন নিয়ে তৈরি হয়েছিল এই নেটওয়ার্ক। ভারতীয় সংবিধান গ্রহণের ৭৫তম বছরে, বোস সংখ্যায়নের শততম বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত হল এই জনবিজ্ঞান কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মত্স্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি প্রেক্ষাগৃহে চলে নানা বিষয়ে অধিবেশন।
পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সম্পাদক প্রদীপ মহাপাত্র বলেন, ‘দু’বছর ধরে বিজ্ঞান কংগ্রেস বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র। কিন্তু কেন? কেউ জানে না। দেশের বিজ্ঞান গবেষণাকে ত্বরান্বিত করাই বিজ্ঞান কংগ্রেসের কাজ। এখন তরুণ বিজ্ঞানীরা যাবেন কোথায়? শিশু বিজ্ঞান কংগ্রেসও বন্ধ। আমরা তো আর সরকারের মতো অত বড় মাপের কিছু করতে পারি না। আমাদের সংগঠনের কাজ, সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈজ্ঞানিক চিন্তাচেতনা জাগানো। সেই প্রচেষ্টাই করা হচ্ছে।’
দেশজুড়ে ৪০টির বেশি সংগঠন নিয়ে তৈরি হয়েছিল এই নেটওয়ার্ক। ভারতীয় সংবিধান গ্রহণের ৭৫তম বছরে, বোস সংখ্যায়নের শততম বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত হল এই জনবিজ্ঞান কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মত্স্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি প্রেক্ষাগৃহে চলে নানা বিষয়ে অধিবেশন।



