নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মাঝখানে কাঁটাতার, আন্তর্জাতিক সীমারেখা। একই ভাষা, একই সংস্কৃতির সুবাদে চিরকাল জড়িয়ে ছিল দুই বাংলা। কলকাতা বইমেলায় ঢুকলেই দেখা যেত বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৯৯৬ সাল থেকে এই প্রথমবার কলকাতা বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ। তবে আমেরিকা, জার্মানি, ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন সহ প্রায় ২০টি দেশ আসছে আন্তর্জাতিক বইমেলায়। দেশ, বিদেশ মিলিয়ে মোট স্টলের সংখ্যা এক হাজার। সবমিলিয়ে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে হবে শুভ উদ্বোধন। তারপর খুলবে বাঙালির ‘দ্বিতীয় বৃহৎ উৎসব’ বইমেলা।
Advertisement
এবার ৪৮ বছরে পা দিল আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। এই প্রথমবার ফোকাল থিম কান্ট্রি হয়েছে জার্মানি। বাংলার সংস্কৃতি সামনে রেখে গড়ে উঠছে তাদের থিম প্যাভিলিয়ন। পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৬ সাল থেকে গতবছর পর্যন্ত কলকাতা বইমেলা টানা এসেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ প্রায় ২৯ বছর। কিন্তু এবার বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জেরে তাদের প্যাভিলিয়ন থাকছে না। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সম্ভবত আগামী বছর বইমেলায় দেখা যেতে পারে বাংলাদেশকে। এবার বইমেলায় বিদেশি স্টল থাকবে প্রায় ২০টি। ফোকাল থিম কান্ট্রি হওয়ার জন্য জার্মানি তো থাকছেই সেই সঙ্গে থাকবে আমেরিকা, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পেরু, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া এবং লাতিন আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশ।
অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর সঙ্গে পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে, সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, বিধাননগরের পুলিস কমিশনার মুকেশ সহ পদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন। নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে বইমেলা চত্বর। ত্রিদিববাবু বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর থাকে। এবার না আসায় আমরা মর্মাহত। তবে অন্য ২০টি দেশ আসছে। আমরা এবার কোনও দল না সংগঠনের নামে স্টল দিইনি। তাই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আমাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে হামলা করেছিল। শুক্রবার তা খারিজও হয়ে গিয়েছে। আমরা জিতেও উদারতা দেখিয়েছি। ‘বিশ্ব হিন্দু বার্তা’র নামে আবেদন করতে বলেছিলাম। শুক্রবার আবেদন দিয়েছে। তাদের জন্য আমরা ১৮ বর্গফুটের একটি স্টল বরাদ্দ করে দিয়েছি।
অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর সঙ্গে পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে, সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, বিধাননগরের পুলিস কমিশনার মুকেশ সহ পদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন। নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে বইমেলা চত্বর। ত্রিদিববাবু বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর থাকে। এবার না আসায় আমরা মর্মাহত। তবে অন্য ২০টি দেশ আসছে। আমরা এবার কোনও দল না সংগঠনের নামে স্টল দিইনি। তাই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আমাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে হামলা করেছিল। শুক্রবার তা খারিজও হয়ে গিয়েছে। আমরা জিতেও উদারতা দেখিয়েছি। ‘বিশ্ব হিন্দু বার্তা’র নামে আবেদন করতে বলেছিলাম। শুক্রবার আবেদন দিয়েছে। তাদের জন্য আমরা ১৮ বর্গফুটের একটি স্টল বরাদ্দ করে দিয়েছি।



