সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ: মামার মারে কিশোরী ভাগ্নীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াগঞ্জের বেলতলি এলাকায়। মৃত কিশোরীর বাড়ি কালিয়াগঞ্জের রসিদপুর এলাকায়। পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে ফোনে কথা বলা নিয়ে বচসায় কিশোরীকে তার মামা লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এরপর প্রথমে তাকে কালিয়াগঞ্জ হাসপাতাল পরে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। মামাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে রায়গঞ্জ থানার পুলিস। তবে পরিবারের তরফে এখনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।
Advertisement
মামা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভাগ্নী মোবাইলে কথা বলছিল। আমি জানতে চাইছিলাম কার সঙ্গে কথা বলছে। মোবাইলটি হাত থেকে নিতে গেলে ধাক্কাধাক্কিতে বচসা শুরু হয়। তখন লাঠি দিয়ে মারতে গেলে বেকায়দায় মাথায় লেগে যায়। কোথা থেকে কীভাবে এসব হল, বুঝতে পারছি না। যদিও মেডিক্যাল হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মারধরের বিষয়টি প্রথমে গোপন করা হয় পরিবারের তরফে। পরবর্তীতে কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও মৃত্যুর পর বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর হাসপাতালে পুলিস পৌঁছে অভিযুক্ত মামাকে আটক করে।
মৃত কিশোরীর মা বলেন, বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। তাই মেয়ে মোবাইল চার্জ দিতে ২ কিমি দূরে মামা বাড়িতে যেত। রবিবারও মোবাইল চার্জ দিতে যায়। এরপরই হঠাৎ বোনের মেয়ে ফোন করে জানায় মেয়ের মাথায় আঘাত লেগেছে। স্বামী ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে। মেয়েকে হারিয়ে শোকে পাথর মা। যদিও এবিষয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ করবে না বলে জানান তিনি। এদিন ওই কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্ত হয় রায়গঞ্জ মেডিক্যালে। কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, পরিবারের তরফে অভিযোগ হয়নি। পুলিস তদন্ত করছে।
মৃত কিশোরীর মা বলেন, বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। তাই মেয়ে মোবাইল চার্জ দিতে ২ কিমি দূরে মামা বাড়িতে যেত। রবিবারও মোবাইল চার্জ দিতে যায়। এরপরই হঠাৎ বোনের মেয়ে ফোন করে জানায় মেয়ের মাথায় আঘাত লেগেছে। স্বামী ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে। মেয়েকে হারিয়ে শোকে পাথর মা। যদিও এবিষয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ করবে না বলে জানান তিনি। এদিন ওই কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্ত হয় রায়গঞ্জ মেডিক্যালে। কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, পরিবারের তরফে অভিযোগ হয়নি। পুলিস তদন্ত করছে।



