Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ব্যাটিংই ভরসা কেকেআরের

পাঁচবার বনাম তিনবারের চ্যাম্পিয়ন! রবিবার আরব সাগর পাড়ের মোকাবিলা অবশ্য নিছক সংখ্যাতত্ত্বে মাপা সম্ভব নয়।

ব্যাটিংই ভরসা কেকেআরের
  • ২৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: পাঁচবার বনাম তিনবারের চ্যাম্পিয়ন! রবিবার আরব সাগর পাড়ের মোকাবিলা অবশ্য নিছক সংখ্যাতত্ত্বে মাপা সম্ভব নয়। এই ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগও। ওয়াংখেড়েতে বরাবরই জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া থাকে কলকাতা নাইট রাইডার্স। শহরটা যে কিং খানের! দলের কর্ণধারের উপর এই মাঠে একদা আরোপিত নিষেধাজ্ঞাই সংকল্পবদ্ধ করে নাইট শিবিরকে। কিন্তু বিধি বাম। ওয়াংখেড়েতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হতাশা সঙ্গী হয়েছে সোনালি-বেগুনি জার্সিধারীদের। ১২বারের মধ্যে ১০টিতেই শেষ হাসি হেসেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। শাহরুখ খানের পাড়ায় অজিঙ্কা রাহানের নেতৃত্বে কি এবার সেই ধারা বদলাতে পারবে কেকেআর? সমর্থকদের আশা পূরণে ব্যাটিংই ভরসা নাইট ব্রিগেডের।

Advertisement

বরাবরই দেরিতে গিয়ার তোলে মুম্বই। কয়েকটা ম্যাচের পর যেন ভাঙে ঘুম। আর সেই সুযোগটা নেওয়াই লক্ষ্য নাইটদের। মুম্বইয়ের দুই ভূমিপুত্র শিবিরে। একজন রাহানে, অন্যজন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ওয়াংখেড়ের বাইশ গজ ভালোভাবেই চেনা কোচ অভিষেক নায়ারেরও। তার উপর কলকাতার ব্যাটিং বেশ ‘পাওয়ারফুল’। টিম সেইফার্ট, ফিন অ্যালেন, রভম্যান পাওয়েল, ক্যামেরন গ্রিনরা আছেন। প্রত্যেকেই ছক্কা মারতে ওস্তাদ। তবে এই চারজনকে একসঙ্গে খেলানো সম্ভব নয়। এছাড়া ভারতীয়দের মধ্যে রাহানে, রঘুবংশী, রিঙ্কুর সঙ্গে রামনদীপ সিংও ঝড় তোলার ক্ষমতা ধরেন। লোয়ার অর্ডারে আছেন সুনীল নারিনও। এমন বিধ্বংসী ব্যাটিং দিয়েই বোলিংয়ের দুর্বলতা ঢাকার আশায় কেকেআর। 
বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেঁটে ফেলেছিল কলকাতা। চোটের জন্য ছিটকে গিয়েছেন জাতীয় দলের দুই পেসার হর্ষিত রানা ও আকাশ দীপ। শ্রীলঙ্কান পেসার মাথিশা পাথিরানাকেও পাওয়া যাচ্ছে না টুর্নামেন্টের শুরুতে। ফলে পেস বোলিং উদ্বেগ আনছে। জিম্বাবোয়ের দীর্ঘকায় পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে তাই দেখা যেতে পারে পাওয়ার প্লে’তে। বৈভব অরোরা, উমরান মালিক, কার্তিক ত্যাগী, নবদীপ সাইনি, সৌরভ দুবেরাও রয়েছেন পেস বোলিং বিভাগে। অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনও আছেন। তবে তাঁর গতি কম। তুলনায় নাইটদের স্পিন আক্রমণ রীতিমতো শক্তিশালী। নারিন ও বরুণকে মিডল ওভারে রান আটকানোর দায়িত্ব নিতে হবে।
মুম্বইয়ের ব্যাটিং আবার রীতিমতো শক্তিশালী। শুরুতে রোহিত শর্মার সঙ্গী কুইন্টন ডি’কক। ‘হিটম্যান’কে এবার ঝরঝরে লাগছে। ফিটনেস নিয়ে যে খেটেছেন, তা পরিষ্কার। সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা, ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়া রয়েছেন দলে। এই ত্রয়ী টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী দলেও ছিলেন। শেরফানে রাদারফোর্ড, নমন ধীররা রয়েছেন পরের দিকে মারার দায়িত্বে। বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক যশপ্রীত বুমরাহ সংশয় কাটিয়ে শিবিরে যোগ দিয়েছেন। কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে জানিওয়েছেন যে মাঠে নামার জন্য ‘বুমবুম’ প্রস্তুত। পেস বোলিং বিভাগে অবশ্য ট্রেন্ট বোল্ট, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহাররাও আছেন। বাঁ-হাতি স্পিনার মিচেল স্যান্টনার, অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস অবশ্য এখনও যোগ দেননি শিবিরে। আফগান স্পিনার গজনফর তাই খেলতে পারেন। লেগ স্পিনার মায়াঙ্ক মারকান্ডেও আছেন। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত ভারসাম্য নীতা আম্বানির ফ্র্যাঞ্চাইজিতে। গত পাঁচ বছরে আসেনি ট্রফি। এবার সেই খরা কাটাতে বদ্ধপরিকর হার্দিক ব্রিগেড।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ