সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: কুকুরে কামড়ানোয় ভ্যাকসিনের পরিবর্তে ওঝার শরণাপন্ন হওয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যদপ্তর এবং বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের তরফে জয়পুরের ডাঙরপাড়ায় সচেতনতা শিবির করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের ডেপুটি সিএমওএইচ-২ অরবিন্দ হালদার, ভারতীয় যুক্তিবাদী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৌম্য সেনগুপ্ত প্রমুখ। ডেপুটি সিএমওএইচ বলেন, প্রতিটি ব্লক হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। তা সত্ত্বেও সচেতনতার অভাবে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় জয়পুরের ডাঙরপাড়ার এক বালকের মৃত্যু হয়েছে। এলাকার মানুষকে সচেতন করার জন্য এদিন গ্রামে শিবিরের আয়োজন করা হয়।
Advertisement
সমিতির সদস্য সৌম্য সেনগুপ্ত বলেন, ২০২৫সালে এসেও মানুষ ওঝার উপর ভরসা করছে। এটা সভ্য সমাজের পক্ষে খুবই লজ্জাজনক ব্যাপার। সরকারি ও বেসরকারিস্তরে এত প্রচার কর্মসূচি সত্ত্বেও এখনও গ্রামের বহু মানুষের মধ্যে কুসংস্কার দূর করা যায়নি। অলৌকিক উপায়ে যে রোগ সারে না, তার বিজ্ঞানভিত্তিক নানা প্রয়োগের মাধ্যমে ওঝার কেরামতি ফাঁস করা হয়েছে। আশা করি গ্রামের মানুষের মধ্যে কুসংস্কার সম্পর্কে অনেকখানি সচেতনতা গড়ে উঠেছে।
প্রসঙ্গত, তিনমাস আগে গ্রামের পুকুরে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে জয়পুরের ডাঙরপাড়ার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ঋজু লোহারকে কুকুরে কামড়ায়। পরিবারের লোকজন হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে তাকে এক ওঝার কাছে নিয়ে যায়। ওঝার কাছে তেল ও জলপড়া খাওয়ান এবং তারই পরামর্শে ক্ষতস্থানে চুন লাগিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরবর্তীতে ক্ষতস্থান শুকিয়ে যায়। কিন্তু, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ঋজুর মুখে লালারস বেরতে থাকে। তখন তাকে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি। এমন ঘটনায় স্বাস্থ্যদপ্তর নড়েচড়ে বসে। ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ে। তারপরেই বৃহস্পতিবার গ্রামে যৌথভাবে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। -নিজস্ব চিত্র
প্রসঙ্গত, তিনমাস আগে গ্রামের পুকুরে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে জয়পুরের ডাঙরপাড়ার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ঋজু লোহারকে কুকুরে কামড়ায়। পরিবারের লোকজন হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে তাকে এক ওঝার কাছে নিয়ে যায়। ওঝার কাছে তেল ও জলপড়া খাওয়ান এবং তারই পরামর্শে ক্ষতস্থানে চুন লাগিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরবর্তীতে ক্ষতস্থান শুকিয়ে যায়। কিন্তু, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ঋজুর মুখে লালারস বেরতে থাকে। তখন তাকে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি। এমন ঘটনায় স্বাস্থ্যদপ্তর নড়েচড়ে বসে। ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ে। তারপরেই বৃহস্পতিবার গ্রামে যৌথভাবে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। -নিজস্ব চিত্র



