সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে পড়ে রয়েছে আবর্জনা। কোনও মানুষ সুস্থভাবে হেঁটে যেতে পারেন না সেখান দিয়ে। গাড়িতে গেলেও নাকে রুমাল চাপা দিতে হয়। দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। কাকদ্বীপের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বরপাড়া থেকে সীমাবাঁধ পর্যন্ত রাস্তা বরাবর পড়ে রয়েছে এই আবর্জনা। এলাকাবাসী এ নিয়ে বারবার গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেও এতদিন ওই আবর্জনা সরানো হয়নি। অবশেষে ওই এলাকাকে দূষণ মুক্ত করতে কড়া পদক্ষেপ নিল পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। আর্থিক জরিমানার কথা উল্লেখ করে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে লাগানো হল সাইনবোর্ড।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বরপাড়া ও সীমাবাঁধের মাঝে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা ফাঁকা পড়ে রয়েছে। আশপাশে কোনও বাড়িঘর নেই। রয়েছে প্রচুর ছোট-বড় নানা ধরনের গাছ। ফলে ঝোপঝাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগে রাতের অন্ধকারে কিছু লোক এসে আবর্জনা ও মৃত পশুর দেহ ফেলে পালিয়ে যেত। পরে ওই দেহ পচে দুর্গন্ধ বেরত। স্থানীয় বাসিন্দা কার্তিক মাইতি বলেন, ‘ওই এলাকাটি নির্জন হওয়ায় কেউ বা কারা এসে আবর্জনার পাশাপাশি পশুর মৃতদেহ ফেলে পালিয়ে চলে যেত। প্রায়ই ওই এলাকায় গোরু, বিড়াল ও কুকুরের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। দুর্গন্ধের ঠেলায় ওই এলাকা দিয়ে কেউ যাতায়াত করতে পারে না। বহুবার দাবি জানানোর পর পঞ্চায়েত রাস্তার দু’পাশে আবর্জনা ফেলা যাবে না বলে, সাইনবোর্ড লাগিয়েছে। আবর্জনা ফেললে জরিমানা করা হবে। এই বোর্ড লাগানোর পর এখন পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে।’
বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাণেশ্বর দাস বলেন, ‘ওই এলাকায় সাইনবোর্ড লাগানোর পাশাপাশি নজরদারিও চালানো হচ্ছে। যাতে কেউ কিছু ফেলে না যায়। এলাকার বাসিন্দাদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাণেশ্বর দাস বলেন, ‘ওই এলাকায় সাইনবোর্ড লাগানোর পাশাপাশি নজরদারিও চালানো হচ্ছে। যাতে কেউ কিছু ফেলে না যায়। এলাকার বাসিন্দাদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’



