নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ‘হাউসিং ফর অল’ প্রকল্পে অনিয়ম বন্ধ করতে আরও কড়া প্রশাসন। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর বাড়ির ভিত তৈরির কাজ শেষ হবে। টাকা সম্পূর্ণ খরচ হয়েছে কি না তা পুরকর্মীরা উপভোক্তাদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেবেন। তাঁরা কাজ খতিয়ে দেখার পর রিপোর্ট পাঠাবেন। প্রথম কিস্তির টাকা খরচ না হলে পরের ধাপে অর্থ পাওয়া যাবে না। পুরসভাগুলিকে এমনটা সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কিস্তির টাকা পাঠানোর পর পুরকর্মীরা কাজ দেখতে উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছবেন। টাকা পাওয়ার পর ধাপে ধাপ কাজ চালিয়ে যেতে হবে। তা না হলে পরের কিস্তির টাকা পাঠানো হবে না।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে অনেক উপভোক্তা বাড়ি তৈরির টাকা অন্য কাজে ব্যয় করতেন। তাঁরা নিজেদের মতো করে ঘরের গাঁথনি করে টাকা পেয়ে যেতেন। এবার থেকে তা হবে না। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার বলেন, প্রতিটি কিস্তির টাকা ঠিকমতো খরচ হচ্ছে কি না তা কর্মীরা খতিয়ে দেখবেন। যেসব বাড়ি তৈরির কাজ চলছে সেগুলির ছবি পোর্টালে আপলোড করা হবে। বর্ধমান শহরে ১৮৪টি পরিবার তৃতীয় কিস্তির টাকা পাবেন। কিছুদিনের মধ্যে ৪০০টি পরিবারকে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে। যাঁরা নির্মাণ কাজ করছেন তাঁরাই টাকা পাবেন। যাঁরা মাঝপথে কাজ বন্ধ রেখেছেন তাঁরা টাকা পাবেন না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য পুরসভাগুলিতেও উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আগে কেউ বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করলেই ধাপে ধাপে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় কিস্তির টাকা পেয়ে যেতেন। তাতে সরকারের উদ্দেশ্যে পূরণ হতো না। এক আধিকারিক বলেন, গ্রামীণ এলাকার বাড়ি তৈরির টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে। যদিও রাজ্য সরকার বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা দিচ্ছে। আবাস যোজনার তালিকা তৈরি করার পরও কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ায় গ্রামীণ এলাকার উপভোক্তারা ক্ষোভে ফুঁসছেন। যদিও ‘হাউসিং ফর অল’ প্রকল্পের টাকা উপভোক্তারা পাচ্ছেন। আধিকারিকদের দাবি, টাকা পাঠানোর পাশাপাশি প্রতিদিনই নতুন গাইডলাইন পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনেক সময় উপভোক্তারা প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে কাজের গতি বাড়াতে পারেন না। পরে ধীরে ধীরে তাঁরা কাজ করেন। কিন্তু নতুন গাইডলাইনে বলা হয়েছে তা করা চলবে না। টাকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ করতে হবে। এই প্রকল্পেও কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত টাকা পাঠাচ্ছে না। সেই কারণে শহরেও বহু পরিবার মাটির বাড়িতে বসবাস করছেন। গুসকরা, কালনার মতো শহরগুলিতে এধরনের বাড়ির সংখ্যা বেশি। কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত টাকা পাঠালে এতদিনে অধিকাংশ উপভোক্তার মাথার উপর পাকা ছাদ থাকতো।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য পুরসভাগুলিতেও উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আগে কেউ বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করলেই ধাপে ধাপে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় কিস্তির টাকা পেয়ে যেতেন। তাতে সরকারের উদ্দেশ্যে পূরণ হতো না। এক আধিকারিক বলেন, গ্রামীণ এলাকার বাড়ি তৈরির টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে। যদিও রাজ্য সরকার বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা দিচ্ছে। আবাস যোজনার তালিকা তৈরি করার পরও কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ায় গ্রামীণ এলাকার উপভোক্তারা ক্ষোভে ফুঁসছেন। যদিও ‘হাউসিং ফর অল’ প্রকল্পের টাকা উপভোক্তারা পাচ্ছেন। আধিকারিকদের দাবি, টাকা পাঠানোর পাশাপাশি প্রতিদিনই নতুন গাইডলাইন পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনেক সময় উপভোক্তারা প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে কাজের গতি বাড়াতে পারেন না। পরে ধীরে ধীরে তাঁরা কাজ করেন। কিন্তু নতুন গাইডলাইনে বলা হয়েছে তা করা চলবে না। টাকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ করতে হবে। এই প্রকল্পেও কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত টাকা পাঠাচ্ছে না। সেই কারণে শহরেও বহু পরিবার মাটির বাড়িতে বসবাস করছেন। গুসকরা, কালনার মতো শহরগুলিতে এধরনের বাড়ির সংখ্যা বেশি। কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত টাকা পাঠালে এতদিনে অধিকাংশ উপভোক্তার মাথার উপর পাকা ছাদ থাকতো।



