সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাসের খালাসির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ওই বাসেরই চালককে আটক করেছে পুলিস। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে আমতায়। বাসচালককে আটকের প্রতিবাদে বুধবার সকালে আমতায় সমস্ত রুটের বাস বন্ধ করে দেন বাসকর্মীরা। ফলে ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। পরে বেলায় পুলিসের হস্তক্ষেপে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোরে আমতা-এয়ারপোর্ট রুটের বাসের খালাসি শঙ্কর রুইদাসের রাস্তাতেই অসুস্থ বোধ করেন। চালক সেই সময় তাঁকে আমতা পেট্রল পাম্পের কাছে নামিয়ে দিয়ে যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সূত্রের খবর, স্থানীয় বাসিন্দা শঙ্কর রুইদাসের অসুস্থতা আরও বাড়লে উপস্থিত লোকজন তাঁকে আমতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে, শঙ্কর রুইদাসের মৃত্যুর খবর শুনে বাসচালক তড়িঘড়ি আমতায় চলে এলে পুলিস তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এই খবর শোনামাত্র অন্যান্য বাসকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁরা আটকের প্রতিবাদে আমতা রুটের সব বাস বন্ধ করে দেন।
পুলিসের দাবি, বাসচালক কি সত্যি কথা বলছেন, নাকি খালাসির অসুস্থতা বুঝেও বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন, সেটা যাচাই করতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি অশোক ধাড়া বলেন, ক্ষোভের কারণে বাসচালক, কন্ডাক্টর ও খালাসিরা কিছু সময়ের জন্য বাস চালানো বন্ধ রেখেছিলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
পুলিসের দাবি, বাসচালক কি সত্যি কথা বলছেন, নাকি খালাসির অসুস্থতা বুঝেও বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন, সেটা যাচাই করতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি অশোক ধাড়া বলেন, ক্ষোভের কারণে বাসচালক, কন্ডাক্টর ও খালাসিরা কিছু সময়ের জন্য বাস চালানো বন্ধ রেখেছিলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।



