নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঁকটিয়া (তমলুক): বহু প্রতীক্ষিত সোয়াদিঘি খাল সংস্কারের কাজ শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খেল। শনিবার শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের কাঁকটিয়া এলাকায় ওই খাল খননের সময় দক্ষিণ পাড়ে ধস নামে। খালপাড়ে অবস্থিত কংক্রিটের টয়লেট, গাছপালা হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। তারপরই এলাকাবাসী জেসিবি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বিডিও ও সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু, খনন কাজ শুরু করা যায়নি। সোমবার এলাকা গিয়ে দেখা যায়, ছ’টি জেসিবি মেশিন লাইন দিয়ে খালপাড়ে দাঁড়িয়ে। বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ সেচদপ্তরের তমলুক ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দেবব্রত সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নকশা অনুযায়ী খননকাজ চললে এভাবে খালপাড়ে অবস্থিত আরও অনেক বাড়ি, দোকানাট ও অন্যান্য কাঠামো ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খালপাড়ের বাসিন্দারা জোটবেঁধে খনন কাজে বাধা দিচ্ছেন। গোটা ঘটনায় আতান্তরে পড়েছে প্রশাসন ও সেচদপ্তর।
Advertisement
ফি-বছর বর্ষায় শহিদ মাতঙ্গিনী, পাঁশকুড়া ও কোলাঘাটের দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায় সোয়াদিঘি খাল। এই খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২কিলোমিটার। কোলাঘাট থানার কিশোরচক থেকে খালের উৎপত্তি। সেটি শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের সোয়াদিঘি গ্রামে রূপনারায়ণ নদে মিশেছে। ২০২৪ সালে বন্যায় এক মাসের বেশি সময় প্লাবিত মৌজায় জল ছিল। সোয়াদিঘি খাল সংস্কার না হওয়ায় কিছুতেই জল গড়াচ্ছিল না। প্লাবিত এলাকার দুর্ভোগ কমানোর জন্য খাল খনন জরুরি। প্রশাসনও বিষয়টি উপলব্ধি করেই সোয়াদিঘি খাল খনন কাজের উপর জোর দেয়। এনিয়ে দফায় দফায় মিটিং হয়। খালপাড় বরাবর প্রশাসনের তরফে মাইকিং করা হয়। খালপাড় থেকে সমস্ত কাঠামো সরানোর আবেদন জানানো হয়। তারপর রাজ্য থেকে অনুমোদন আসার পরই সোয়াদিঘি খালে খনন কাজ শুরু হয়।
গত ২২জানুয়ারি থেকে কাঁকটিয়ায় সোয়াদিঘি খাল খনন কাজ শুরু হয়। কাঁকটিয়া দুর্গামণ্ডপের পূর্ব দিকে প্রায় ছ’টি জেসিবি নামিয়ে খনন কাজ শুরু হয়েছে। খালের উত্তর পাড়ে কাঁকটিয়া ও দক্ষিণ পাড়ে যশমন্তপুর গ্রাম। শনিবার খালের দক্ষিণ পাড়ে খনন কাজ চলার পর হুড়মুড়িয়ে ধস নামে। খালপাড়ে স্থানীয় রাধাকান্ত মাইতির কংক্রিটের টয়লেট ধসে পড়েছে। ওই এলাকার গাছপালাও ধসে পড়েছে। অনেকটা জায়গাজুড়ে ধস নামার ওই এলাকার চার-পাঁচটি কংক্রিটের বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় দাঁড়িয়ে।
প্রশাসন ও সেচদপ্তরের উদাসীনতার সুযোগে বছরের পর বছর খালপাড় দখল করে ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং মাছের ভেড়ি গজিয়ে উঠেছে। ২২কিলোমিটার খালের কোথায়, কতটা এলাকাজুড়ে খনন হবে, তা নিয়ে একটি নকশা হয়েছে। গোটা এলাকাকে চারটি ধাপে ভাগ করে খনন হবে। কিশোরচকে খালের উৎপত্তিস্থল এলাকায় তলদেশে ৭.৬২মিটার এলাকা খনন হবে। তারপরের অংশ ১৫মিটার খনন হবে। কাঁকটিয়ার কাছে খালের তলদেশে ১৯.৮মিটার এলাকা খনন করা হবে। তারপর রূপনারায়ণ নদীর মুখে খালের তলদেশে দুই পাড়ের দূরত্ব হবে প্রায় ৩৩মিটার। জল নিকাশি ব্যবস্থাকে মসৃণ করতে এই পরিকল্পনা। অনেকেই বলছেন, নকশা অনুযায়ী কাঁকটিয়া এলাকায় ১৯.৮মিটার খাল কাটা হলে দুই পাড়ে অনেক দোকানপাট, ঘর ভেঙে পড়বে। তাই শুরুতেই পরিকল্পনা করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে।
যশমন্তপুর গ্রামের খালপাড়ের রাধাকান্ত মাইতি, গোপাল ভুঁইয়া, রাজকুমার গুড়িয়া বলেন, শনিবার যে ধস নেমেছে তাতে আমাদের বাড়ি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। আমরা আর নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারব না। প্রশাসন ও সেচদপ্তর কি এর দায় নেবে?
সেচদপ্তরের তমলুক ডিভিশনের এগজিকিটিভ ইঞ্জিনিয়ার বলেন, আপতত কাজ বন্ধ আছে। সোমবার ওই ঘটনাস্থল ভিজিট করেছি। কীভাবে কাজ শুরু হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
গত ২২জানুয়ারি থেকে কাঁকটিয়ায় সোয়াদিঘি খাল খনন কাজ শুরু হয়। কাঁকটিয়া দুর্গামণ্ডপের পূর্ব দিকে প্রায় ছ’টি জেসিবি নামিয়ে খনন কাজ শুরু হয়েছে। খালের উত্তর পাড়ে কাঁকটিয়া ও দক্ষিণ পাড়ে যশমন্তপুর গ্রাম। শনিবার খালের দক্ষিণ পাড়ে খনন কাজ চলার পর হুড়মুড়িয়ে ধস নামে। খালপাড়ে স্থানীয় রাধাকান্ত মাইতির কংক্রিটের টয়লেট ধসে পড়েছে। ওই এলাকার গাছপালাও ধসে পড়েছে। অনেকটা জায়গাজুড়ে ধস নামার ওই এলাকার চার-পাঁচটি কংক্রিটের বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় দাঁড়িয়ে।
প্রশাসন ও সেচদপ্তরের উদাসীনতার সুযোগে বছরের পর বছর খালপাড় দখল করে ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং মাছের ভেড়ি গজিয়ে উঠেছে। ২২কিলোমিটার খালের কোথায়, কতটা এলাকাজুড়ে খনন হবে, তা নিয়ে একটি নকশা হয়েছে। গোটা এলাকাকে চারটি ধাপে ভাগ করে খনন হবে। কিশোরচকে খালের উৎপত্তিস্থল এলাকায় তলদেশে ৭.৬২মিটার এলাকা খনন হবে। তারপরের অংশ ১৫মিটার খনন হবে। কাঁকটিয়ার কাছে খালের তলদেশে ১৯.৮মিটার এলাকা খনন করা হবে। তারপর রূপনারায়ণ নদীর মুখে খালের তলদেশে দুই পাড়ের দূরত্ব হবে প্রায় ৩৩মিটার। জল নিকাশি ব্যবস্থাকে মসৃণ করতে এই পরিকল্পনা। অনেকেই বলছেন, নকশা অনুযায়ী কাঁকটিয়া এলাকায় ১৯.৮মিটার খাল কাটা হলে দুই পাড়ে অনেক দোকানপাট, ঘর ভেঙে পড়বে। তাই শুরুতেই পরিকল্পনা করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে।
যশমন্তপুর গ্রামের খালপাড়ের রাধাকান্ত মাইতি, গোপাল ভুঁইয়া, রাজকুমার গুড়িয়া বলেন, শনিবার যে ধস নেমেছে তাতে আমাদের বাড়ি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। আমরা আর নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারব না। প্রশাসন ও সেচদপ্তর কি এর দায় নেবে?
সেচদপ্তরের তমলুক ডিভিশনের এগজিকিটিভ ইঞ্জিনিয়ার বলেন, আপতত কাজ বন্ধ আছে। সোমবার ওই ঘটনাস্থল ভিজিট করেছি। কীভাবে কাজ শুরু হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।



