সংবাদদাতা, কান্দি: স্কুলে শৌচালয় থাকলেও তা ব্যবহারের অযোগ্য। তাই ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ছুটতে হয় নিজেদের বাড়ি নয়ত পুকুরপাড়ে বা স্কুলের পিছনে খোলা মাঠে। কয়েকবছর ধরেই এইভাবেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে খড়গ্রাম ব্লকের কেলাই ২ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের। এনিয়ে বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে দাবি অভিভাবক থেকে স্কুলের শিক্ষকদের।
Advertisement
প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির ওই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৭৬জন। শিক্ষক রয়েছেন তিনজন, একজন পার্শ্বশিক্ষক। ১৯৮৬ সালে প্রথম গ্রামের ওই স্কুল তৈরি হয়। কিন্তু আগে যে জায়গায় স্কুল ছিল ২০০৬-০৭ আর্থিক বর্ষে সেখান থেকে স্কুল সরে আসে। গ্রামের এক ব্যক্তির দান করা জায়গায় তৈরি হয় নতুন ভবন। এরপর ২০০৭-০৮ আর্থিক বর্ষে দোতলা ভবনও তৈরি হয়। যদিও দোতলা ভবনের সিড়ির ছাদ এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়নি। কাজেই বৃষ্টিতে ভিজে সিড়ি বেয়ে ছাত্রছাত্রীদের দোতলা ভবনে উঠতে হয়। সিড়ির ছাদ নিয়ে বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানান হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে দাবি।
তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল স্কুলে দুটি শৌচাগার ও দুটি ইউরিনাল থাকলেও এর কোনটিই ছাত্রছাত্রীরা ব্যবহার করতে পারে না। কারণ চারটি ঘরই আবর্জনায় ভর্তি। টিনের দরজাও ভাঙা। ভিতরের আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আর এর উচ্চতাও কম। খোদ প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুল ভবনটি নিচু। পরবর্তীতে আশপাশে মাটি ভরাট করায় এটির উচ্চতা কমে গিয়েছে। মেরেকেটে শৌচাগারের উচ্চতা তিন ফুট হতে পারে। তার মধ্যেই একটি ইউরিনাল ঘরের ছাদ কেটে কোনভাবে ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক যাই বলুন, ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে কিংবা শৌচকার্য করতে ছুটতে হয় স্কুল থেকে নিজের বাড়ি। নয়ত স্কুলের পিছনে খোলা মাঠে বা পুকুরপাড়ে। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী জানায়, বাথরুম পেলে পুকুরপাড়ে চলে যাই। আর শৌচকার্য করতে যেতে হয় মাঠে সর্ষের জমিতে বা ধানের জমিতে। এখানে সবাই তাই করে। স্কুলে আমরা ওসব করতে পারিনা।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, এক্ষেত্রে আমাদের দোষ নেই। সমস্যা নিয়ে চারবার স্কুল পরিদর্শক ও বিডিওকে চিঠি করেছি ছবি সহ। কোনও সুরাহা হয়নি। তবে শিক্ষকদের জন্য একটি শৌচালয় রয়েছে। সেটি কোনও কোনও সময় ছাত্রছাত্রীরাও ব্যবহার করতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওদের নিজেদের বাড়ি যেতে হয়।
কেলাই গ্রামের বাসিন্দা তথা স্থানীয় ঝিল্লি পঞ্চায়েত সদস্য বুলটি বিবি বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতার জন্যই ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগ। বর্তমান সময়েও ছোটদের শৌচকার্য করতে মাঠে যেতে হচ্ছে। এটা সমাজের লজ্জার বিষয়। এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান আশিস মার্জিত বলেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।
খড়গ্রাম উত্তর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক রিমি সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল স্কুলে দুটি শৌচাগার ও দুটি ইউরিনাল থাকলেও এর কোনটিই ছাত্রছাত্রীরা ব্যবহার করতে পারে না। কারণ চারটি ঘরই আবর্জনায় ভর্তি। টিনের দরজাও ভাঙা। ভিতরের আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আর এর উচ্চতাও কম। খোদ প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুল ভবনটি নিচু। পরবর্তীতে আশপাশে মাটি ভরাট করায় এটির উচ্চতা কমে গিয়েছে। মেরেকেটে শৌচাগারের উচ্চতা তিন ফুট হতে পারে। তার মধ্যেই একটি ইউরিনাল ঘরের ছাদ কেটে কোনভাবে ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক যাই বলুন, ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে কিংবা শৌচকার্য করতে ছুটতে হয় স্কুল থেকে নিজের বাড়ি। নয়ত স্কুলের পিছনে খোলা মাঠে বা পুকুরপাড়ে। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী জানায়, বাথরুম পেলে পুকুরপাড়ে চলে যাই। আর শৌচকার্য করতে যেতে হয় মাঠে সর্ষের জমিতে বা ধানের জমিতে। এখানে সবাই তাই করে। স্কুলে আমরা ওসব করতে পারিনা।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, এক্ষেত্রে আমাদের দোষ নেই। সমস্যা নিয়ে চারবার স্কুল পরিদর্শক ও বিডিওকে চিঠি করেছি ছবি সহ। কোনও সুরাহা হয়নি। তবে শিক্ষকদের জন্য একটি শৌচালয় রয়েছে। সেটি কোনও কোনও সময় ছাত্রছাত্রীরাও ব্যবহার করতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওদের নিজেদের বাড়ি যেতে হয়।
কেলাই গ্রামের বাসিন্দা তথা স্থানীয় ঝিল্লি পঞ্চায়েত সদস্য বুলটি বিবি বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতার জন্যই ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগ। বর্তমান সময়েও ছোটদের শৌচকার্য করতে মাঠে যেতে হচ্ছে। এটা সমাজের লজ্জার বিষয়। এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান আশিস মার্জিত বলেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।
খড়গ্রাম উত্তর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক রিমি সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।



