Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুর শহরে লাগামহীন টোটো, যানজটে নাকাল বাসিন্দারা

খড়্গপুর শহরে লাগামহীন টোটো, যানজটে নাকাল বাসিন্দারা
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরে হু-হু করে টোটোর সংখ্যা বাড়ায় ব্যস্ততম রাস্তায় যানজট ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। অভিযোগ, টোটো চালাচলের কোনও নির্দিষ্ট রুট না থাকায় সমস্যা বাড়ছে। স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত যাতায়াত করতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। যানজটের ফলে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে যেতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ এত টোটো বেড়ে গিয়েছে রাস্তায় চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠেছে। তারা বলেন, যাত্রীর চেয়ে টোটোর সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছে। পাশের শহর মেদিনীপুরে পুরসভা, প্রশাসন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হলেও খড়্গপুর শহরে তেমন কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। একসময় খড়্গপুর পুরসভা প্রায় সাড়ে ৩০০ টোটোকে অস্থায়ী নম্বর দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে পরিবহণ দপ্তর থেকে কিছু টোটোকে নম্বর দেওয়া হয়। এরপর আর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। 
Advertisement
খড়্গপুরের মহকুমা শাসক পাতিল যোগেশ অশোক রাও বলেন, খুব শীঘ্রই পরিবহণ দপ্তর, পুরসভা, টোটো সংগঠনগুলিকে নিয়ে বৈঠক করা হবে। সেখানেই সমস্যা সমাধানের পথ বের করতে হবে। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, এব্যাপারে আমাদের কাছে সরকার থেকে কোনও নির্দেশ আসেনি। নির্দেশ এলে উদ্যোগ নেওয়া হবে। টোটো সংগঠনের সভাপতি তথা পুরসভার কাউন্সিলার প্রদীপ সরকার বলেন, এখানে পুরসভা, প্রশাসন এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি। শহরে অবৈধ টোটোর সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে শহরে প্রায় ২০০০ টোটো চলে। ফলে যানজট তীব্র হচ্ছে। বেশিরভাগই অবৈধ। এক সময় পুরসভা থেকে কিছু টোটোকে অস্থায়ী নম্বর দেওয়া হয়েছিল। সরকারিভাবেও কিছু লাইসেন্স দেওয়া হয়। সমস্যা সমাধানে পুরসভা ও প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ সভাপতি দেবাশিস চৌধুরী বলেন, এব্যাপারে প্রশাসনের নির্দিষ্ট নিয়ম করা উচিত। কোন রুটে কত টোটো চলবে তা ঠিক করে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, একটি চক্র মাঝে মাঝেই টোটোর লাইসেন্স করে দেওয়ার নাম করে হাজার হাজার টাকা তুলছে। 
বাসিন্দারা বলেন, মালঞ্চ থেকে ইন্দা, কৌশল্যা থেকে মহকুমা হাসপাতাল, পুরাতন বাজার, গোলবাজার এলাকায় মূলত টোটোর জন্য তীব্র যানজট হচ্ছে। এক বাসিন্দা শেখ রহমত বলেন, টোটো নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও পুরসভার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। না হলে সমস্যা আরও তীব্র হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ