নয়াদিল্লি: খাদ্যদ্রব্যের চড়া দামে জেরবার সাধারণ মানুষ। অক্টোবরে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার পৌঁছে গিয়েছিল ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে স্তরে। কেন্দ্র মুখে নানা পদক্ষেপের কথা বললেও, বাজারে তার কোনও প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যের দাম কমবে বলে আশাবাদী মোদি সরকার। খরিফ শস্যের বাম্পার ফলনের জেরে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
সোমবার প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মাসিক ইকনমিক রিভিউ রিপোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, নভেম্বরের শুরু থেকেই কয়েকটি খাদ্যদ্রব্যের দাম কমার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। বাম্পার খরিফ ফলনের কারণে আগামী দিনে খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও কমবে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের মতো ঘটনা অন্যান্য দ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতি ও জোগানের উপর আগামী দিনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। শুধু খরিফ নয়, রবি শস্য উৎপাদন নিয়েও আশাপ্রকাশ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় রিপোর্টে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, বর্ধিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ইত্যাদি কারণে আগামী শীতের মরশুমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে সরকার। খাদ্যদ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতিতে ভালো খবরের মাঝেই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে রেটিং সংস্থা এস অ্যান্ড পি। তাদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস, চড়া সুদের হার ও গ্রামাঞ্চলে চাহিদার অভাবের ফলে এদেশের আর্থিক বৃদ্ধি ধাক্কা খেতে পারে। রিপোর্টে ভারতে ২০২৫-২৬-এ আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ শতাংশ ৬.৭ শতাংশ করেছে এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল। আর ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।



