Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জুলাইয়ে ভালো বৃষ্টির সুফল পাচ্ছে খরিফ ফসল

জুলাই মাসে দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টিপাত বেড়েছে। তার জেরে বিভিন্ন খরিফ ফসলের চাষও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জুলাইয়ে ভালো বৃষ্টির সুফল পাচ্ছে খরিফ ফসল
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জুলাই মাসে দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টিপাত বেড়েছে। তার জেরে বিভিন্ন খরিফ ফসলের চাষও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গতবছরের এইসময়ের তুলনায় চাষের জমির পরিমাণ প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে। তৈলবীজ চাষ গতবছরের এইসময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে পাট ও আখ ছাড়া বাকি ফসলের চাষের জমির পরিমাণ এখনো স্বাভাবিকের থেকে  কিছুটা কম আছে। আবহাওয়াবিদ ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্ট মাসেও চাষ শুরু করার সুযোগ আছে। ফলে চাষের জমির পরিমাণ আরও বাড়বে। প্রতিসপ্তাহে চাষের জমি বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে আরও ভালো। কারণ সার্বিকভাবে রাজ্যে বৃষ্টি ভালো হয়েছে।  বীরভূম, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলায় বৃষ্টির কিছুটা ঘাটতি থাকলেও চাষের পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানান, রাজ্যে চাষের ব্যাপারে  ইতিবাচক রিপোর্ট তাঁরা পাচ্ছেন।

Advertisement

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩১ জুলাই পর্যন্ত ধানচাষ হয়েছে ৩ কোটি ১ লক্ষ হেক্টর জমিতে। গতবছর এইসময়ে ধানচাষের জমির পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৮ লক্ষ।  দেশে ধানচাষের জমির স্বাভাবিক পরিমাণ ৪ কোটি ১২ লক্ষ হেক্টর। ডালের চাষ হয়েছে ৯৫ লক্ষ ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। গতবছর এইসময় ১ কোটি ১ লক্ষ হেক্টর জমিতে ডালচাষ হয়েছিল। দেশে ডালচাষের স্বাভাবিক জমির পরিমাণ ১ কোটি ২৪ লক্ষ হেক্টর। মোটা দানাশস্য ও তৈলবীজ চাষ হয়েছে যথাক্রমে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ হেক্টর ও ১ কোটি ৭২ লক্ষ হেক্টর জমিতে। গতবছরের এইসময়ের তুলনায় ইতিমধ্যে ১ লক্ষ হেক্টর জমিতে বেশি তৈলবীজ চাষ হয়েছে। দেশে স্বাভাবিক তৈলবীজ চাষের জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি টন। মোটা দানাশস্য চাষ হয় ১ কোটি ৮২ লক্ষ হেক্টর জমিতে।
জুলাই মাসের শুরুতে তুলাচাষ অনেকটা পিছিয়ে ছিল। ৭৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে তুলাচাষ হয়েছিল ১০ জুলাই পর্যন্ত। এখন চাষ হয়েছে ১ কোটি ৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে। নিম্নচাপের প্রভাবে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও গুজরাতে জুলাই মাসে বৃষ্টি বেশি হওয়ার জন্য তৈলবীজ ও তুলা চাষ বেড়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ