নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: অ্যাপেল থেকে বিভিন্ন দামি সংস্থার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মোবাইল পড়ে জিআরপির মালখানায়। ট্রেনে মোবাইল চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার কিনারা করেই নিশ্চিন্ত হতে পারছে না জিআরপি। মোবাইল মালিকের আবদার, আপনাদের কাছে রেখে দিন, ওদিকে গেলে নিয়ে নেব। রবিবার আসানসোল জিআরপি থানার পক্ষ থেকে কুড়িটি চুরি যাওয়া, হারিয়ে যাওয়ার মোবাইল প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে এই চাঞ্চল্যকর অবস্থার কথা। কয়েক মাস পরে মোবাইল পেয়ে অনেকে আবার হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন।
Advertisement
মোবাইল ফিরিয়ে নিতে কেন এত অনিহা? জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুক্ষেত্রেই অভিযোগকারী ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। মোবাইলগুলি উদ্ধার করতে কয়েক মাস সময় লেগে যায়। ততদিনে অভিযোগকারী নতুন ফোন কিনে নেন। প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুরনো ফোনে থাকা ফটো, নথি, পরিচিতদের ফোন নম্বর নতুন ফোনে নিয়ে নেন। যার ফলে পুরনো ফোনটি অনেক ক্ষেত্রেই মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এরপর বহু দূর থেকে মোবাইল ফেরত নিতে আসতে খরচের পাশাপাশি সময়ও অপচয়। তাই অনেকক্ষেত্রে দামি মোবাইল উদ্ধার করেও প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিতে নাজেহাল দশা জিআরপি কর্মী, আধিকারিকদের। এদিনও সেই চিত্র ধরা পড়েছে। কয়েক মাসে খোয়া যাওয়া বহু মোবাইল জিআরপি উদ্ধার করতে সফল হয়েছে। অভিযোগকারীদের তালিকা দেখে তাঁদের যখন ফোন করে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার আর্জি করা হচ্ছে তখন গা ছাড়া ভাব। কেউ ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে জানাচ্ছেন, অন্যজন গিয়ে নিয়ে নেবে। কেউ আবার রং নম্বর বলে ফোন কেটে দিতে সচেষ্ট হচ্ছেন। বহু ক্ষেত্রেই অফিসার বিরক্ত হয়ে বলছেন, ফোন ফেরত পাওয়ার ইচ্ছে না থাকলে অভিযোগ করলেন কেন?
তদন্তকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকায় ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ার মোবাইল চোর গ্যাং সক্রিয়। মূলত তারাই মোবাইল চুরি করছে। অভিযোগ পেলেই সেই সব এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফোনগুলি উদ্ধার করে আনা হয়। তারপর মালখানাতেই তা পড়ে থাকে। এদিন অবশ্য মোবাইল ফেরত নিতে জিআরপি অফিসে অনেকেই হাজির হয়েছিলেন। এদিন তাঁদের হাতে মোবইল ফোন তুলে দেন আসানসোল জিআরপি থানার আইসি পথিকৃৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোবাইলগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল আর নিতে আসছেন না অভিযোগকারীরা। এদিন ২০ জনের হাতে আমরা তাঁদের মোবাইল ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।
তদন্তকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকায় ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ার মোবাইল চোর গ্যাং সক্রিয়। মূলত তারাই মোবাইল চুরি করছে। অভিযোগ পেলেই সেই সব এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফোনগুলি উদ্ধার করে আনা হয়। তারপর মালখানাতেই তা পড়ে থাকে। এদিন অবশ্য মোবাইল ফেরত নিতে জিআরপি অফিসে অনেকেই হাজির হয়েছিলেন। এদিন তাঁদের হাতে মোবইল ফোন তুলে দেন আসানসোল জিআরপি থানার আইসি পথিকৃৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোবাইলগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল আর নিতে আসছেন না অভিযোগকারীরা। এদিন ২০ জনের হাতে আমরা তাঁদের মোবাইল ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।



